যেসব কারণে ২৫ বছরের আগে বিয়ে করা ঠিক না !

ছেলে, মেয়ে ভেদে বিয়ের বয়স সামাজিক ভাবে আলাদা তা আমরা সকলেই জানি। ছেলেরা একটু বেশি বয়সে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য, অন্যদিকে মেয়েদের পরিবারের চাপে পড়ে অনেক আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নারী হোক বা পুরুষ, একজন মানুষের বয়স অন্তত ২৫ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে করা উচিত নয় একেবারেই।

নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি করতে

আমাদের দেশে ২৫ এর পরেই একজন মানুষকে চাকুরি পেতে দেখা যায়। পুরুষদের এই সুযোগটি দেয়া হলেও অন্যের স্ত্রী হতে হয় বলে নারীদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এই সুযোগ বেশ কমই দেয়া হয়। কিন্তু আসলেই প্রতিষ্ঠিত হতে হলে ২৫ এর পরই বিয়ের চিন্তা করা উচিত।

পুরোপুরি ম্যাচিউরড হয়ে বিয়ে করা উচিত

১৮ বছর বয়সে একজন মানুষ পূর্ণবয়স্ক হয়ে থাকেন। কিন্তু নারী বা পুরুষ দুজনেরই নিজের একটি সংসার সামলানোর দায় দায়িত্ব নেয়ার ক্ষমতা ২৫ এর পরই আসে এবং এটি শারীরিক নয় পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার।

আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে বিয়ে করা উচিত

শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত নয় একজন মানুষের জীবনযাপনের জন্য আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের সমাজে শুধুমাত্র পুরুষের এই দিকটি দেখা হয়। কিন্তু একজন নারী হিসেবেও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া উচিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে।

পরিবারের মূল্য বুঝে বিয়ের জন্য রাজি হওয়া উচিত

২৫ বছর বয়সের আগে একজন মানুষের পক্ষে পরিবারের মূল্য কতোখানি তা সঠিকভাবে বুঝে ওঠা সম্ভব নয়। নিজের ভবিষ্যৎ ঠিক করে নিয়ে বিয়ের কথা ভাবা উচিৎ

ভবিষ্যতে কী করছেন, কোন লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছুবেন এবং সঠিক পথে হাঁটা শুরু করে তবেই বিয়ের কথা চিন্তা করা উচিত। তা না হলে লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

দায়িত্ব নিতে শিখে বিয়ের কথা ভাবা উচিত

২৫ বছর বয়সের আগে ছাত্রজীবনে প্রায় সকলকেই একটু দায়সারা গোছের জীবনযাপন করতে দেখা যায়। তাই প্রথমে দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টি শিখে নেয়া উচিত বিয়ের কথা ভাবার আগে।

নিজের জন্য সঠিক মানুষটি খুঁজে নিয়ে বিয়ে করুন

লাভ বা আরেঞ্জ যেভাবেই বিয়ে করুন না কেন সেটি হবে পুরো জীবনের একটি বন্ধন। সুতরাং ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। নিজের জন্য সঠিক মানুষ কোনজন তা বুঝতেও ম্যাচিউরিটির প্রয়োজন রয়েছে।

You Might Also Like