যুবদল সভাপতিকে গ্রেফতার, পরে গুলি

বগুড়ায় পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বগুড়া শহর যুবদল সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুদ রানা মাসুদ (৪০)। রবিবার ভোর রাতে শহরের ছোটকুমিরায় তার শ্যালক আলমের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি- তার হেফাজত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। যুবদল সভাপতি মাসুদ রানাকে গ্রেফতারের পর অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তার পায়ে গুলি করে।

তবে, তার পরিবারের দাবি- মাসুদ রানাকে পুলিশ গ্রেফতার করার পর গুলি করেছে।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার এ প্রতিবেদককে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোর রাত পৌনে ৩টার দিকে শ্যালকের বাড়ি থেকে যুবদল সভাপতি মাসুদ রানাকে সদর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর জহুরুল নগর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে পুলিশের হেফাজত থেকে পালোনোর চেষ্টা করেন মাসুদ রানা। এসময় পুলিশের গুলিতে পায়ে গুলিবদ্ধ হন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি পাইপগান, দুই রাউন্ড গুলি ও ২২টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভোরে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নাশকতা, যানবাহনের অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলার রয়েছে। তিনি দীর্ঘ দিন পলাতক ছিলেন।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শজিমেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ টিএসআই শাহ আলম জানান, যুবদল সভাপতি মাসুদ রানার বাম পায়ে পাঁচটি গুলির আঘাত লেগেছে। হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে তার চিকিৎসা চলছে।

এদিকে, মাসুদ রানার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার ভোর রাতে শহরের ছোটকুমিরায় তার শ্যালক আলমের বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এসময় তার কাছ থেকে কোন অস্ত্র কিংবা ককটেল পুলিশ পায়নি।

You Might Also Like