মেসিডোনিয়ায় প্রতিবাদেও চুমু

রাষ্ট্রবিরোধী প্রতিবাদের নতুন ধরনটি শুরু হয় মূলত আরব বসন্ত থেকে। বুয়াজিজির শরীরের আগুন গোটা আরব জাহানের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে পুড়িয়ে দিয়ে গোটা বিশ্বে স্বৈরাচারবিরোধী ও নয়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূচনা করে। ২০১১ সাল পরবর্তী সময়ে অনেক দেশেই একে একে এই আগুন জ্বলে ওঠে। কোথাও সত্যিকারের গণতন্ত্রের প্রশ্নে, আবার কোথাওবা স্বাধীনতার প্রশ্নে। কিন্তু দেশ-কাল-পাত্রভেদে আন্দোলনে তারতম্য হলেও মূল কথা সেই একই রয়ে যাচ্ছে।

আরব বসন্তের হাওয়া মাত্র এক বছরের মাথায় ইউরোপকে আক্রমন করে। গ্রিস, ইউক্রেন, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্সসহ কয়েকটি ইউরোপভূক্ত দেশে ক্রমশ দানা বেধে উঠতে থাকে অসন্তোষ। আর এই অসন্তোষ ইউরোপের অন্য একটি দেশ মেসিডোনিয়াতেও ছড়িয়ে যেতে সময় লাগেনি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিকোলা গ্রুভেস্কি এবং তার মন্ত্রী পরিষদের অপসারণ চেয়ে গত সপ্তাহ থেকে মেসিডোনিয়ার রাস্তায় সাধারণ জনতা নেমে আসে।

যদিও এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা কিংবা গোলোযোগের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সম্প্রতি মেসিডোনিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে পর্যন্ত ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, মেসিডোনিয়ার এক বিক্ষোভরত নারী প্রতিবাদ হিসেবে পুলিশের ঢালকে চুমু দেয়ার আগে পুলিশেরই ফাইবার গ্লাসকে আয়না হিসেবে ব্যবহার করছেন ঠোটে লিপস্টিক লাগানোর জন্য। প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যেও এই দৃশ্য ধারণ করেন রয়টার্সের এক ফটোসাংবাদিক।

You Might Also Like