মেঘনায় দ্বিতীয় দফায় উদ্ধার কাজ সমাপ্ত করেছে বিআইডব্লিউটিএ : ৫৪ লাশ উদ্ধার

শনিবার বিকাল ৫টায় দ্বিতীয় দফায় উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ পর্যন্ত ৫৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫২ জনের মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্বজনদের কাছে হস্তান্তরকৃতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে, তারা হলেন জুলহাস হোসেন (৩৪), মোশারফ দেওয়ান (৩৫), জামাল শিকদার (৫০) ও তার ছেলে আবির (১১), সেতারা বেগম (৫৫), টুম্পা বেগম (২৬), শিশু মাহি, শিশু সুমনা, জলিল মালত (৫০), মানিক (১৪), আব্দুল্লাহ আল রেদওয়ান (৪০), রাফিয়া বেগম (৬০), খোরশেদ আলম খোন্দকার (৭৫), ওসমান গণি মোল্লা (৭০), ইসমাইল ফকির (৬০), কৃষ্ণ কমল দাস ৫০, আব্দুল জলিল (৫৫), তাসলিমা আক্তার রিয়া (২৫), রাশিদা বেগম (৫৬), লাইলী বেগম (৫৫), ঋতু (২৪), আব্দুল মান্নান দেওয়ান (৬৫), লক্ষ্মী দাস (৮৫), রজিয়া (৩২), শিশু রুমান, আব্দুল জলিল খান (৭০), মিন্টু সুখানী (৪০), মাসুম (৩৮), রিমা আক্তার (৩২), আহসানুল্লাহ কবিরাজ (৫৫), আরিফ রিসাত (১১), মিন্টু (২৭), রফিকুল ইসলাম (৪৫), নাঈম (১১), সায়েত ঢালী (৩৫), মেহরাজ খন্দকার (১২), শিরিন শিলা (২৪), আল আমিন (৭), সুমন বেপারি (২৭), বিউটি বেগম (২৩) লিটন মল্লিক (২৩), আব্দুুস সালাম(৪৫) ও মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম সরদার(৪৫)। এদের মধ্যে ৪৩ জনের লাশ পরিচয় সনাক্তের পর ২০ হাজার টাকা করে সহায়তাসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে মেঘনা তীরে শ’ শ’ মানুষ এখনো ভীড় করেছে। নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারিতে মেঘনার বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদী ও এর পাশে খুজে ফিরছেন স্বজনদের। এখনো দেড় শতাধিক লোক নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএ’র প্রধান প্রকৌশলী (সার্ভে) সিরাজুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শরীয়তপুরের সুরেশ্বরের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর একটায় ঢাকার সদরঘাট থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মিরাজ-৪ রওনা দেয়। বিকেল তিনটার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার দৌলতপুরে ঝড়ের কবলে পড়ে মেঘনায় আড়াইশ’ যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি।

You Might Also Like