মৃত ব্যক্তিকেও ভয় পাচ্ছে সরকার

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. পিয়াস করিমের লাশ নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করেছে সরকার। সরকার এখন মৃত মানুষকেও ভয় পাচ্ছে। প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে সরকার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর রমনা জোন আয়োজিত থানা আমীর সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন।

তিনি বলেন, কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে সরকার জনপ্রিয় জাতীয় নেতাদের হত্যা করতে চায়। কিন্তু জনগণ সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি ষড়যন্ত্র ও অপরাজনীতি পরিহার করে অবিলম্বে জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোরের নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের সকল বর্বরতা ও নৃশংসতাকে হার মানিয়েছে। সেদিন লগি-বৈঠার তা-বের মাধ্যমে যে নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছে যা মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মানবতাবিরোধী অপরাধ। আর যেটি সংঘঠিত হয়েছিল বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায়।

তাই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার করা না হলে দেশে কখনোই আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তিনি ২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ড. মু. রেজাউল করিম, সহকারী জোন পরিচালক হেমায়েত উদ্দীন, ঢাকা মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য অধ্যাপক আ জ ম কামাল উদ্দীন, সালাহউদ্দীন ও নাজিম উদ্দীন মোল্লা প্রমুখ।

You Might Also Like