ভিনগ্রহীদের সঙ্গে যৌন মিলনে সন্তান জন্ম দেওয়ার দাবি!

ভিনগ্রহের প্রাণিদের নিয়ে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। তবে কেবল কল্পনাতেই নয়, ভিনগ্রহের প্রাণ নিয়ে এসেছে নানা তত্ত্ব। রচিত হয়েছে কল্পকাহিনীও। নানারূপে ভিন গ্রহের প্রাণী হাজির হয়েছে চল”িচত্রের পর্দায়ও। কিন্তু, সব কিছুকে ছাপিয়ে ভিন গ্রহের প্রাণীর সঙ্গে সম্পর্ক এবং তাদের সন্তান জন্ম দেওয়ার দাবি করে চমক লাগিয়ে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল নারী।
ওই নারীদের দাবি, ভিনগ্রহের প্রাণীদের সঙ্গে তাদের যৌনমিলন হয়েছে এবং তাদের শংকরায়নকৃত (হাইব্রিড) সন্তান হয়েছে। এই সন্তানেরা তাদের বাবার সঙ্গে মহাকাশ যানে থাকে। তাদের এ দাবি নিয়ে রীতিমত হইচই পড়ে গেছে। এরইমধ্যে তাদের নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।
ভিনগ্রহের প্রাণির সন্তান জন্ম দেওয়ার দাবি করেছেন এমন নারীদের দুজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ব্রিজিট নিয়েলসন ও ভিডিও গেম ডিজাইনার অ্যালুনা ভার্স। তারা ‘হাইব্রিড বেবি কমিউনিটি’ নামের একটি সংগঠনের সদস্য। এই সংগঠনের সদস্যদের বয়স ১৬ থেকে ৬০। তাদের বিশ্বাস, উন্নত প্রাণ তৈরির সন্ধানে পৃথিবীর নারীদের সঙ্গে মিলিত হয় এলিয়েনরা। এরা প্রত্যেকেই দাবি করেছেন ভিনগ্রহের প্রাণীদের সঙ্গে তাদের মিলিত হওয়ার কথা এবং সন্তান জন্মদানের কথা। কিন্তু কোথায় মিলিত হন তারা ভিনগ্রহের ‘পুরুষ’দের সঙ্গে? এই প্রশ্নের অবশ্য নির্দিষ্ট কোনও উত্তর মেলেনি। কেউ বলেছেন অজানা কোনও ক্লাসঘরের কথা, কেউ বা বলেছেন ভিনগ্রহীদের ইউএফও-ই তাদের মিলনস্থল।
আরিজোনায় বাবার সঙ্গে থাকেন ব্রিজিট। তার দাবি, ভিনগ্রহের প্রাণীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে তার। ২৭ বছরের ব্রিজিটের দাবি, ‘এলিয়েনদের সঙ্গে যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা অতুলনীয়। পৃথিবীর হাজার হাজার নারী যারা এই সুখ থেকে বঞ্চিত, তাদের জন্য আমার দুঃখ হয়।’ কিন্তু কী ভাবে? সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি ব্রিজিট। কোথায় আছে তাদের সেই মিশ্র সন্তানেরা? উত্তরে অবশ্য তিনি জানিয়েছেন, বিশাল ইউএফও-তে বাবাদের সঙ্গেই থাকে তারা।
ভিনগ্রহীদের সঙ্গে যৌন মিলনে সন্তান জন্ম দেওয়ার দাবি!
‘হাইব্রিড বেবি কমিউনিটি’র সদস্যদের কথা অবশ্য তাদের বাড়ির লোকেরাই এখনও পর্যন্ত বড় একটা বিশ্বাস করছেন না। কেউ কেউ বলছেন, এ নিছকই মনের অসুখ, কল্পনার জগতেই আসলে বাস করেন ব্রিজিটরা। তাদের চিকিৎসারও পরামর্শ দিয়েছেন অনেকেই।
তবে তারপরও ভিনগ্রহের প্রাণীদের প্রেমে এখনও মজে আছেন ওই নারীরা! পৃথিবীর পুরুষদের পাত্তা দেওয়ার সময় বা ইচ্ছা কোনওটাই তাদের বিশেষ নেই! সূত্র: ডেইলি মিরর

You Might Also Like