বিনোদনের নামে পার্কে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ [ভিডিওসহ]

পার্কে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ । বিনোদনের নামে চলছে যুবক-যুবতীর অশ্লীলতা আর নোংরামি। আপত্তিকর কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছেন স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও তরুণ-তরুনীরা। এসব নিয়ে মারপিট ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও কম ঘটছে না।

এ ব্যাপারে নিশ্চুপ পার্ক ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী ভদ্রা এলাকায় শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্কের নিয়মিত দৃশ্য এমন। প্রতিদিন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে পড়ছে অনৈতিক কাজে। এই পার্কের আড়ালে গড়ে উঠেছে মিনি সেক্স কর্নার।

গার্ডকে অর্থ দিলেই মেলে ঝোপঝাড়ে নিরাপদে বসা ও কথিত ক্যান্টিন আর টয়লেটে অবস্থানের সুযোগ। বাড়তি অর্থে মিলে অনৈতিক কাজের বিশেষ সুবিধা।

এমন পরিস্থিতিতে স্বজন নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। অসামাজিক কার্যকলাপে সহযোগিতার অভিযোগ অস্বীকার করে গার্ড জানান, একার পক্ষে পরিস্থিতিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্কের কার্য সহকারী সত্য নারায়ণ স্যান্যাল বলেন, এই পার্কে বিনোদনের জন্য কিছু নেই। শুধু আছে গাছের ছায়া। তাই এখানে বসার জন্য শুধু তরুণ-তরুণীরাই আসে। এ কারণে অন্য বয়সী কোনো দর্শনার্থী আসেন না।

রাজশাহী নগরীর এই পার্কের আড়ালে গড়ে উঠেছে মিনি সেক্স কর্নার। নগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নেতা শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীর নামে এই পার্কের গভীর জঙ্গলে দীর্ঘদিন ধরে মহানগরীর বিভিন্ন স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীসহ নগরীর প্রেমিক-প্রেমিকারা অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালাছে।

পার্কের এক শ্রেণীর দালালরা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কার্মকাতাকে ম্যানেজ করে অবৈধ চালাছে অসামাজিক কর্মকাণ্ড সহযোগীতা করছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপরে কিছু দালাল । আর এ সব দালাল নামক পতিতা ব্যাবসায়ীর গডফাদারদের সঙ্গে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কিছু অস্বাধু অফিসারদের সঙ্গে রয়েছে গভীর যোগাযোগ।

পার্কের গভীর জঙ্গলে এসব অসামাজিক কর্মকাণ্ডে অতীষ্ট এলাকাবাসী।

এদিকে মাঝে মাঝে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালালেও বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না অসামাজিক কাজ। পুলিশ অভিযানে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় প্রেমিক যুগলকে আটক করে পরে কান ধরে উঠবস করিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়। এরা সকলেই নগরীর বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার আফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জিয়া (পিপিএম) জানান, নগরীর ভদ্রা পার্কের গভীর জঙ্গলে দীর্ঘদিন ধরে এমন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়রা থানায় অভিযোগ দেন। ওই পার্কে অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় আপত্তিকর অবস্থায় ২৪ যুগলকে আটক করা হয়। ভবিষ্যতে আটককৃতরা পার্কে আসলেও আর নোংরা কাজে জড়াবে না এমন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে মানবিক কারণে ‘মৃদু’ শাস্তি দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ।

You Might Also Like