বিএনপি ফোরটুয়েন্টি: মতিয়া চৌধুরী

ভারতের বিজেপি প্রধান অমিত শাহ’র সঙ্গে ভুয়া ফোনালাপ এবং কংগ্রেসম্যানদের ভুয়া বিবৃতির ঘটনার পর বিএনপিকে ‘ফোরটোয়েন্টি’ বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষতো গাধা না। জনগণ জানে এ ধরনের জালিয়াত ফোরটোয়েন্টিদের হাতে দেশ নিরাপদ না। দেশের শুধু মান মর্যাদাই নয় এদের হাতে সব কিছুই ভূলুণ্ঠিত হবে। এরা দেশকে নিচে নামাতে যে কোন পর্যায়ে যেতে পারে। এদের কোন মান মর্যাদার জ্ঞান নেই।
রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এ কথা বলেন। মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপির কোন লজ্জা নেই। চোরের মার বড় গলা। কংগ্রেসম্যান এবং বিজেপির সভাপতিকে নিয়ে তারা যে মিথ্যাচার করলো, এ কাজটা যদি আমাদের তরফ থেকে কেউ করতো, তাহলে তো আমরা লজ্জায় মুখ দেখাতে পারতাম না। বিএনপি যে মিথ্যাচার করেছে আওয়ামী লীগ সেই মিথ্যাচার করলে এই দলের নেতাদের তুলোধুনা করা হতো। কিন্তু সুশীলদের বিবেক এখন চুপ।
‘চোরের মার বড় গলা’ উল্লেখ করে মতিয়া বলেন, বিএনপি মিথ্যা কথা বলছে, তারা এ তত্ত্বে বিশ্বাস করে যে- একটা মিথ্যা কথা ১০ বার জোর দিয়ে বললে তা সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। সেভাবে তারা বলেই যাচ্ছে।
এ রকম হলে আওয়ামী লীগতো লজ্জায় ঘর থেকে বেরই হতে পারতো না। কিন্তু তাদেরতো কোন লজ্জা নাই। ‘বাজারের বিচারে জুতা মেরেছে তাতে কী হয়েছে, মানির মান আল্লাহ রেখেছে’ এ মানসিকতা নিয়ে যারা চলে তাদের সমন্ধে কি কিছু বলার থাকে ?
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বীরের জাতি বাঙালি, যেটা মুক্তিযুদ্ধের অর্জন। তাদের ভূলুন্ঠিত করতে অতীতে তাদের কোন দ্বিধা ছিলো না, এখনো নেই।
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে মতিয়া বলেন, দরজা খুলে দিলেও উনি (খালোদা জিয়া) যাবেন না, আবার যা খুশি তাই উনার লোকেরা বলে বেড়াবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া নিজেই জিডি করেছেন সুরক্ষার জন্য। এখন একটা অন্তর্ঘাতমূলক কাজ ঘটিয়ে তা সরকারের উপর চাপিয়ে দেবে এটাতো আমরা হতে দিতে পারি না। সরকার সে সাবধানতার জন্যই সেখানে তাকে সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরই ক্ষমতায় থাকবে উল্লেখ মতিয়া বলেন, চৈত্র মাসের মসলা মাঘ মাসে বলে লাভ নেই। ২০১৪ সালেই তারা এই সংলাপের কথা বলতে পারত। নিয়মরক্ষার খাতিয়ে যে নির্বাচন হয়েছে তা পাঁচ বছরের জন্যই হয়েছে। সরকার পাঁচ বছরের জন্যই তো গঠনের নিয়ম, যোগ করে মতিয়া চৌধুরী।
মতিয়া দাবি করে বলেন, বিএনপির লাগাতার অবরোধে জীবনযাত্রা অচল হয়নি। চোরাগোপ্তা হামলা করে কাপুরুষ আর অক্ষমরা। ঈদ-ই মিলাদুন্নবীর দিন তারা মানুষ পুড়িয়েছে, ইজতেমাকেও ছাড় দেয়নি।

You Might Also Like