বাড়িওয়ালাদের অচেতন করে সব লুটে ভাড়াটিয়া চম্পট

ফরিদপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে অচেতন করে ঘরের সর্বস্ব লুট করে চম্পট দিয়েছে ভাড়াটিয়াবেশী দুর্বৃত্ত। রোববার রাতে পৌরসভার চর কমলাপুরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যদের অসুস্থাবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকিল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তরা এখনো শংকামুক্ত নয়।

অসুস্থরা হলেন ওই পরিবারের কর্তা মো: মঞ্জুরুল ইসলাম (৬৫), স্ত্রী রহিমা হক (৫০), ছেলে আদনান আহমেদ রনি (২৮) ও মেয়ে ফারজানা হক পরমা (১৮)।

মঞ্জুরুলের ভায়রা জহিরুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, ৮-১০ দিন আগে তাদের অব্যবহৃত বাড়ীটি ভাড়া দেয়া হয়। এরপর দ্রততম সময়ে ওই ভাড়াটিয়ারা বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এমন কী রান্না করা খাবারও দেওয়া-নেওয়া করে।

শনিবার রাতে ভাড়াটিয়াদের দেওয়া খাবার খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়ে সবাই। এরপর থেকে আর কেউ ঘুম থেকে উঠেনি। রোববার রাত নয়টার দিকে বাড়ীর কর্তা মঞ্জুরুল ইসলামের চেতনা ফিরে এলে বাড়ির সদস্যদের এলোমেলো পড়ে থাকতে দেখে ও ঘরের সব তছনছ করা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানায়।

খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অসুস্থদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর থেকে ভাড়াটিয়ারা স্ব-পরিবারে পলাতক রয়েছে।

চিকিৎসক ডা. গণপতি বিশ্বাস শুভ জানান, অসুস্থদের অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও আরো কয়েকঘন্টা না গেলে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছেনা। চিকিৎসকের ভাষ্য, খাবারের সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত অচেতন করার ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে কোতয়ালী মডেল খানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন আহমেদ জানান, অসুস্থদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিছুটা সুস্থ হলে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

You Might Also Like