বাংলাদেশে সহিংসতা বন্ধে উদ্যোগ নিতে জন কেরিকে ১১ কংগ্রেসম্যানের চিঠি

বাংলাদেশে চলমান সহিংসতায় উদ্বেগ জানিয়ে সহিংসতা বন্ধে উদ্যোগ নিতে  যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে চিঠি দিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের ১১ জন সদস্য। এসময় তারা সহিংসতা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে বের করে সমাধানের দিকে এগুনোর জন্য বাংলাদেশি নেতাদের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন  কেরির প্রতি।

বুধবার কেরিকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়,  গত দুই মাস অবরোধ-হরতালে সহিংসতায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সদস্য কেরিকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে ঢাকায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সহিংসতা বন্ধ করতে বলেন। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করতে আলোচনার ওপর জোর দেন তারা।

ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান দলের এই ১১ জন সংসদ সদস্য চিঠিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে লিখেছেন, যতটা অগ্রগতি সাধনে বাংলাদেশ সক্ষম হয়েছে, চলমান সহিংসতার কারণে তা ব্যাহত হতে পারে।

“বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণে সহিংসতাকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যে কারণে দ্বিমত রয়েছে তা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রকাশ ঘটানো যেতে পারে।”

একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো যাতে তাদের কর্মকাণ্ড শান্তিপূর্ণভাবে চালাতে পারে, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে সেদিকেও খেয়াল রাখার প্রয়োজনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে তারা।

এ ধরনের পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব না হলে সরকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ হতে হবে, বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্যরা।

চিঠির শেষে কংগ্রেসম্যানরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইস্যুতে কেরির সম্পৃক্ততার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের প্রক্রিয়ার জন্য মার্কিন সহায়তার বার্তা দেয়ায় কেরিকে ধন্যবান জানান তারা। গভীর উদ্বেগজনক এ পরিস্থিতির সমাধান খোঁজার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে অব্যাহতভাবে যুক্ত থাকতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছেন ওই ১১ কংগ্রেসম্যান।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী কংগ্রেস সদস্যরা হলেন, জোসেফ ক্রাউলি, পিটার কিং, মাইক হোন্ডা, এলিয়ট এঞ্জেল, গ্রেস মেং, স্টিভ চ্যাবট, জেমস পি ম্যাকগভার্ন, হোযে সেরানো, জেরাল্ড ই কনোলি, আর্ল ব্লামেনূর ও উইলিয়াম আর কিটিং।

You Might Also Like