বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে চীন

বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে চীন। ঢাকাস্থ চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কাউন্সিলার লি গুয়ংজুন বলেছেন, “আগামী নির্বাচনের দিকে আমরা তাকিয়ে আছি। আশা করি, এ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি নতুন সরকার মসৃণভাবে পালাবদল করবে।”

আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকাস্থ চীনের দূতাবাসে ‘পাবলিসিটি অব চায়না ইন্টারন্যাশনাল এমপোর্ট এক্সপো অ্যান্ড বাইল্যাটারেল ইকোনমিক কোঅপারেশন’ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

লি গুয়ংজুন বলেন, “আগামী দিনে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। ইতিমধ্যে চীন বাংলাদেশে প্রচুর বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে। তাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ থাকবে।”

বাংলাদেশ নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে উত্তরণ করায় শুভেচ্ছা জানিয়ে গুয়ংজুন বলেন, “চীনের সরকার বাংলাদেশে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে থাকে। ২০১৬ সালে চীনের প্রসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরে বিনিয়োগের ক্ষেত্র বেশ কিছু সমঝোতা হয়েছে। সমঝোতা হলো- দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে একটি মানসিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার প্রত্যয়। বাণিজ্য একটি বড় ইস্যু। বছরে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ চীন থেকে আমদানি করে ১৫ বিলিয়ন ডলার আর চীন বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে ১ বিলিয়ন ডলার। চীন কাউকে বাধ্য করে না এ বৈষম্যের জন্য। এটি মার্কেটের কারণে হয়ে থাকে। যেখানে যেমন চাহিদা সেভাবেই বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়। এ বৈষম্য কমবে বলে আমি মনে করি না, তবে চীন বাংলাদেশ থেকে আরো পণ্য আমদানি করবে।”

চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কাউন্সিলার জানান, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চায়। এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশে নানান পণ্য বিশ্ব বাজারে ছড়াতে চীনের বিনিয়োগ পাবে।

তৈরি পোশাক সম্পর্কে তিনি বলেন, চীনে এই পণ্যের বাংলাদেশি বাজার বাড়ছে। কারণ চীনে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দিন দিন বাড়ছে।

You Might Also Like