ফুটবল নিয়ে দর্শকদের ‘অবাক ভালোবাসা’

ফ্রি টিকেট বিলি করেও আর্মি স্টেডিয়ামে দর্শক টানতে পারেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দর্শকতো সোনার হরিণ। অথচ এই সোনার হরিণেই স্টেডিয়াম পরিণত হলো সমুদ্রে। বাংলাদেশ নেপাল আন্তজার্তিক ম্যাচকে ঘিরে জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম।

গ্যালির পরিপূর্ণ হয়েছে ম্যাচের ঘন্টাখানেক আগেই। এরপরই সিলেটের ফুটবল পাগল দর্শক গ্যালারিতে জায়গা না পেয়ে স্টেডিয়ামের গেট ভেঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন।

এক পর্যায়ে দর্শকরা মাঠের চারোদিক ঘিরে ফেলেন। কর্ণার থ্রো করার জায়গাও দখল করে নেন তারা। বাধ্যহয়েই খেলোয়াড় ট্যান্ড ছেড়ে নেপাল ও বাংলাদেশের ফুটবলররা মাঠের মাঝে জায়গা নেন। পাঁচটা গড়িয়ে সাড়ে পাঁচটা বেজে গেলেও ম্যাচ শুরুর করার সাহস পাননি ম্যাচ কমিশনার মনিরুল ইসলাম। সোজা কথা মাঠের মাঝখানে দর্শক রেখে তিনি কোনভাবেই খেলা চালু করতে রাজি হননি।

পরে পুলিশ ও আয়োজকরা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পর এক ঘণ্টা বিলম্বে খেলা শুরু হয়। সিলেটের এই দর্শকদের নিয়ে ভয় ছিলো আগ থেকে।  টিকটে বিক্রিতে তাদের আগ্রহ দেখেই মনে হচ্ছিলো দর্শকদের চাপ কোনভাবেই সামাল দিতে পারবে না স্থানীয় আয়োজকরা। যদিও এ নিয়ে তাদের তেমন কোন প্রস্তুতিও ছিল না। তাই ম্যাচ শুরুর আগেই স্টেডিয়ামের গেট ভেঙ্গে মাঠে প্রবেশ করে দর্শক।

You Might Also Like