কাটছে অন্ধকার, আসছে আলো

দীর্ঘ ১১ ঘন্টা পর অবশেষে রাজধানীতে বিদ্যুৎ আসতে শুরু করেছে। রাজধানীর মাত্র ২০ ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ এলেও অন্ধকারে আছে বাকী এলাকাগুলো। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডির বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ আসায় এ এলাকবাসীর মাঝে উৎফুল্লতা দেখা গেছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম সারাদেশে একযোগে এত বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা যায়।

জাতীয় গ্রিড সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত প্রায় ১৫শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। যদিও সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে সাড়ে চার হাজারের বেশি (৪৬৫০) মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে।

রাজধানীবাসীকে বিদ্যুতের কারণে চরম বিপর্যয়ে পড়তে হয়েছে। গোসল ও খাওয়া-দাওয়াসহ যাবতীয় কাজ তারা সুষ্ঠুভাবে সমাধান করতে পারেননি। তারপরও কয়েকটি জায়গায় বিদ্যুৎ আসায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এদিকে দেশের কিছু কিছু বিভাগীয় শহরেও বিদ্যুৎ আসতে শুরু করেছে।

রাজশাহী: দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার পরে স্বাভাবিক হয়েছে রাজশাহী। রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে কাটাখালি গ্রিডে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

ময়মনসিংহ: বিশেষ ব্যবস্থায় ময়মনসিংহ শহরে আংশিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। মোট ৩৭৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহে ৮৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২২, জামালপুরে ৪০ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১০, নেত্রকোনায় ২৬ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১০, কিশোরগঞ্জে ২৬ মেগাওয়াটের বিপরীতে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

গাজীপুর: গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে স্বস্তি ফিরে আসে।

বগুড়া: রাত ৯টা ২৪ মিনিটে বগুড়া শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে ২০ মিনিট পর আবারো বিদ্যুৎ চলে যায়। বিউবোর কর্মকর্তারা জানান, সীমিত পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

You Might Also Like