ফাইনালে জকোভিচ

স্তানিসলাস ওয়ারিঙ্কাও পারলেন না নোভাক জোকোভিচের জয়রথ থামাতে। মেলবোর্ন পার্কে গত বছর শিরোপা উৎসব করতে সার্বিয়ান তারকাকে শেষ আট থেকে বিদায় করে দিয়েছিলেন তিনি, কালও সুইজারল্যান্ডের এ খেলোয়াড় অগ্নিপরীক্ষা নিয়েছেন বিশ্বের ‘১ নম্বর’ তারকার।

রড ল্যাভার অ্যারেনায় শেষ চারের লড়াইয়ে দুইবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফিরিয়েছিলেন ওয়ারিঙ্কা। কিন্তু শেষ সেটে আর পেরে ওঠেননি তিনি অপ্রতিরোধ্য জোকোভিচের সঙ্গে। গত বছর কোয়ার্টার ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়ে পাঁচ সেটের ম্যারাথন লড়াইয়ে ৭-৬, ৩-৬, ৬-৪, ৪-৬ ও ৬-০ গেমের জয়ে ওয়ারিঙ্কার এবার সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন জোকোভিচ। রবিবারের ফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ অ্যান্ডি মারে।

প্রথম সেট টাইব্রেকারে জেতার পর দ্বিতীয়টিতেই হেরে বসেন জোকোভিচ। ঘুরে দাঁড়িয়ে তৃতীয়টি আবার নিজের করে নিয়ে ২-১-এ এগিয়ে যান তিনি। ওয়ারিঙ্কা তাতে একদমই হাল ছেড়ে দেননি, চতুর্থ সেটে একই ব্যবধানে জিতে ২-২-এ আবার সমতা ফেরান তিনি। কিন্তু ম্যাচ নির্ধারণী পঞ্চম সেটে জোকোভিচের বিপক্ষে একেবারে উড়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। এ সেটে একটিও গেম হারেননি জোকোভিচ।

স্বচ্ছন্দে খেলতে না পারলেও সাড়ে তিন ঘণ্টার লড়াই জেতায় তাঁর চোখে-মুখে ছিল স্বস্তির হাসি, ‘কিভাবে দৌড়াতে পারব এর ওপর নির্ভর করে আমি কতটা ভালো খেলতে পারব। আমার মনে হয় দ্বিতীয় ও চতুর্থ সেটে আমি খুব রক্ষণাত্মক খেলেছি। এ সুযোগ লুফে নিয়ে ম্যাচ পঞ্চম সেটে টেনে নেওয়ার জন্য ওয়ারিঙ্কাকে কৃতিত্ব দিতেই হয়। পঞ্চম সেটে সঠিক সময়ে অবশ্য দারুণ সার্ভ করেছি। আরো একবার ফাইনালে উঠতে পেরে দারুণ আনন্দিত।’ এএফপি

You Might Also Like