ফরহাদ মজহারকে কারা কেন অপহরণ করেছে?

কারা ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করেছে সে সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য মিলছে না। ফরহাদ মজহারকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিরও কোন হদিস মেলেনি তিন দিনেও । পুলিশ-গোয়েন্দারা ওই মাইক্রোবাসটি খুঁজে বের করতে পারেনি। এ দিকে অপহরণ মামলায় এক সাক্ষীর জবানবন্দী নিয়েছেন আদালত।

গত ৩ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানার রিং রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পরে অপহৃত হন কবি, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার। অপহরণকারীরা তাকে নিয়ে যায় খুলনায়। সেখানে র‌্যাব-পুলিশের প্রচেষ্টায় উদ্ধার হন ফরহাদ মজহার। পুলিশ-গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, অপহরণকারীরা চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে বসিয়ে ফরহাদ মজহারকে নিয়ে যায় খুলনায়। সেখানে একটি রেস্টুরেন্টে তাকে খেতে দিয়ে অপহরণকারীরা আশপাশে বসেই তাকে অনুসরণ করে। ফরহাদ মজহারকে মাইক্রোবাসে তোলার পরেই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। যারা নিয়ে গেছে তারাই ফরহাদ মজহারকে একটি বাসে তুলে দেয়।

এ দিকে ঘটনার পর চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ফরহাদ মজহারকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ গোয়েন্দারা। তবে পুলিশ সূত্র বলেছে, তারা মাইক্রোবাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মাইক্রোবাসটি যে রুট ধরে গেছে সেই রুটের সিসি ক্যামেরার সন্ধান করা হচ্ছে। অপর দিকে, ওই দিন কোন কোন মাইক্রোবাস ফেরিতে উঠেছে সেসব মাইক্রোর নম্বর সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ সূত্র ধরেই মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করা সম্ভব মনে বলে করছে সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ মিডিয়া সেলের ডিসি মাসুদুর রহমান বলেছেন, এ ঘটনায় ফরহাদ মজহার এবং অন্যরা যেসব তথ্য দিয়েছেন সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। তিনি জানান, তদন্ত কাজ শুরু হয়ে গেছে।

এ দিকে ফরহাদ মজহারকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গত বৃহস্পতিবার ঢাকার সিএমএম আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন সাদাত সাদী নামে এক ব্যক্তি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মাহবুবুল হক জানান, খুলনা নিবাসী নাজমুস সাদাত সাদীকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিএমএম মো: হাফিজুর রহমান ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমকে দায়িত্ব দেন। খুরশীদ আলম জবানবন্দী রেকর্ড করেন।

জানা গেছে, এই সাদী খুলনার শিববাড়ি হানিফ কাউন্টারের ব্যবস্থাপক। ওই কাউন্টারে গফুর নামে একটি টিকিট কাটা হয়েছিল। ওই টিকিটেই ফরহাদ মজহার গাড়িতে চড়েছিলেন। তবে অপহৃতের পারিবারিক ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ফরহাদ মজহারকে অপহরণকারীরাই বাসের কাউন্টারে নিয়েছিল। তারাই তাকে বাসের শেষের দিকের সিটে বসিয়ে দিয়ে যায়। টিকিট কোত্থেকে আসে সে সম্পর্কে ফরহাদ মজহার কিছু বলতে পারেননি।

প্রসঙ্গত গত ৩ জুলাই ভোর ৫টার পরে ফরহাদ মজহার চোখের ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হলে তাকে কে বা কারা অপহরণ করে। পরে ওই রাতে তাকে উদ্ধার করা হয় যশোরের নওয়াপাড়া থেকে। ফরহাদ মজহারকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটির হদিস নেই। তিন দিনেও পুলিশ-গোয়েন্দারা ওই মাইক্রোবাসটি খুঁজে বের করতে পারেনি। এ দিকে অপহরণ মামলায় এক সাক্ষীর জবানবন্দী নিয়েছেন আদালত। এ দিকে কেন এবং কারা ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করেছে সে সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য মিলছে না। গত ৩ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানার রিং রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পরে অপহৃত হন কবি, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার। অপহরণকারীরা তাকে নিয়ে যায় খুলনায়। সেখানে র‌্যাব-পুলিশের প্রচেষ্টায় উদ্ধার হন ফরহাদ মজহার। পুলিশ-গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, অপহরণকারীরা চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে বসিয়ে ফরহাদ মজহারকে নিয়ে যায় খুলনায়। সেখানে একটি রেস্টুরেন্টে তাকে খেতে দিয়ে অপহরণকারীরা আশপাশে বসেই তাকে অনুসরণ করে। ফরহাদ মজহারকে মাইক্রোবাসে তোলার পরেই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। যারা নিয়ে গেছে তারাই ফরহাদ মজহারকে একটি বাসে তুলে দেয়। এ দিকে ঘটনার পর চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ফরহাদ মজহারকে অপহরণে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ গোয়েন্দারা। তবে পুলিশ সূত্র বলেছে, তারা মাইক্রোবাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মাইক্রোবাসটি যে রুট ধরে গেছে সেই রুটের সিসি ক্যামেরার সন্ধান করা হচ্ছে। অপর দিকে, ওই দিন কোন কোন মাইক্রোবাস ফেরিতে উঠেছে সেসব মাইক্রোর নম্বর সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ সূত্র ধরেই মাইক্রোবাসটি শনাক্ত করা সম্ভব মনে বলে করছে সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা মহানগর পুলিশ মিডিয়া সেলের ডিসি মাসুদুর রহমান বলেছেন, এ ঘটনায় ফরহাদ মজহার এবং অন্যরা যেসব তথ্য দিয়েছেন সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। তিনি জানান, তদন্ত কাজ শুরু হয়ে গেছে।

You Might Also Like