প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন বিষয়ে শুনানী চলছে

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন বিষয়ে শুনানী চলছে। অপরদিকে, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন প্রার্থীদের মধ্যে ৫ম বারের বিতর্ক হয়ে গেল আটলান্টা শহরে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন নিয়ে প্রতিনিধি পরিষদে শুনানীতে ইউক্রেনকে আমেরিকার সামরিক সাহায্য প্রদান এবং তার ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি সুযোগ নিতে চেয়েছেন বা প্রেসিডেন্টের কি সুবিধা হতো সে বিষয়ে শুনানী চলছে।

ই-ইউতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ড এ নিয়ে বলেন, ‘আমি জানি যে কমিটির সদস্যরা এইসব জটিল বিষয়গুলি নিয়ে এক সহজ প্রশ্ন তুলে ধরেছেন – এ ক্ষেত্রে কি (Quid pro quo?) অর্থাৎ কোন সাহায্য বা সুযোগের বিনিময়ে কোন সুবিধা লাভ হয়েছে? আমি হোয়াইট হাউসের টেলিফোন কল এবং হোয়াইট হাউসের বৈঠকের বিষয়ে আগেই যেমন সাক্ষ্য দিয়েছি – আমার জবাব হলো – হ্যাঁ ।’

প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দা কমিটির চেয়ারম্যান ডেমোক্র্যাট দলীয় Congressman Adam Schiff বলেছেন, ‘আমরা প্রথমবারের মত শুনেছি যে, এই পরিকল্পনার কথা অনেকেই অবহিত ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানতেন, অস্থায়ী Chief of Staff Mulvaney এ কথা জানতেন, এবং সর্বোপরি শীর্ষ স্থানে ডনাল্ড ট্রাম্প জানতেন যে তার ব্যক্তিগত আইনজীবি এবং অন্যান্যরা তা কার্যকর করছেন।’

ওদিকে জর্জিয়ার আটলান্টায় বুধবার রাতে ছিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য যারা ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছেন তাদের বিতর্ক । তারা সবাই অভিশংসন সম্পর্কে যে তদন্ত চলছে সেটা চান, আর তাদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

তিনি এক প্রশ্নের মাঝেই তার বক্তব্য তুলে ধরেন, ‘প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনয়ন লাভের সম্ভাবনা কার বেশী? প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে যদি বলি – কে সেই ব্যক্তি যিনি প্রতিনিধি পরিষদ এবং সেনেটে, ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যা বাড়াতে সক্ষম হবেন?

ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মনোনয়ন লাভের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাইডেন এগিয়ে রয়েছেন। ওদিকে ম্যাসাচুসেটসের সেনেটার এলিজাবেথ ওয়ারেন বললেন, ‘আমাদের এই নীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যে কেউকে আইনের উর্ধে নয় । আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে এবং আমাদের তা পূরণ করতে হবে।’

 

 

ডেমক্র্যাটিক পদপ্রার্থীদের বিতর্কে প্রাধান্য পায় ট্রাম্পের অভিশংসনের তদন্ত

You Might Also Like