প্রধানমন্ত্রী কি বিরাগবশত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

ইকতেদার আহমেদ

আমাদের এ উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকাবস্থায় প্রথমত ভারতীয়দের জন্য এবং অতঃপর সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে কোটা প্রথার প্রবর্তন করা হয়। পাকিস্তান শাসনামলে কেন্দ্রীয় সুপিরিয়র সার্ভিসগুলোর কয়েকটির জন্য প্রদেশভিত্তিক কোটা প্রথার বিধান প্রবর্তন করা হয়। বাংলাদেশে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্বেই ১৯৭২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা একটি নির্বাহী আদেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটা প্রথার প্রবর্তন করে হারভিত্তিক জেলা কোটা ৪০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত নারী কোটা ১০ শতাংশ সর্বমোট ৮০ শতাংশ কোটাধারীদের জন্য সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট ২০ শতাংশ সাধারণ মেধাবীদের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়। ১৯৭৬ সালে জেলা কোটায় ২০ শতাংশ কমিয়ে উল্লিখিত কমানো কোটা সাধারণ মেধাবীদের জন্য উন্মুক্ত ২০ শতাংশের সাথে সংযোজন করে তা ৪০ শতাংশে উন্নীত করা হয়। ১৯৮৫ সালে কোটা প্রথায় পরিবর্তন এনে জেলা কোটা ৪০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হয় এবং প্রথমবারের মতো উপজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ কোটা আগেকার মতো অক্ষুণ্ন রাখা হয় এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সাধারণ মেধাবীদের জন্য ৪৫ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৯৭ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটা সন্তান অবধি বিস্তৃত করা হয় এবং পরে ২০১১ সালে এ বিস্তৃতিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের সন্তান অর্থাৎ নাতি-নাতনি অন্তর্ভুক্ত হয়। ওই বছর প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ কোটা বরাদ্দ করা হয়। এভাবে কোটাধারীদের অংশ ৫৬ শতাংশে উন্নীত হয় এবং অবশিষ্ট ৪৪ শতাংশ সাধারণ মেধাবীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

দীর্ঘ দিন ধরে এ দেশের ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে কোটা প্রথা সংস্কারের জন্য সভা, সমাবেশ ও স্মারকলিপি দেয়ার মধ্য দিয়ে দাবি উচ্চারিত হতে থাকে। সরকারের পক্ষ হতে বর্তমানে যে হারে কোটা প্রথার প্রচলন রয়েছে, তা অক্ষুণ্ন রাখার ব্যাপারে অনড় অবস্থান ব্যক্ত করা হয় এবং সর্বশেষ সরকারের শীর্ষ নির্বাহী দেশের প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের পটিয়ার এক জনসভায় দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে, কোটার বর্তমান হার অক্ষুণ্ন থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ কোটা প্রথার সংস্কার চেয়ে সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি পেশ করে। তাদের পাঁচ দফাগুলো হলো- ০১. সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নির্ধারণ; ০২. কোটাধারীদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্যপদে সাধারণ মেধাবীদের নিয়োগ প্রদান; ০৩. যেকোনো কোটাধারীদের জন্য বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষার ব্যবস্থা না করা; ০৪. চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সবার জন্য সমবয়স নির্ধারণ এবং ০৫. যেকোনো কোটাধারী পরিবারের চাকরিপ্রার্থীদের একের অধিকবার কোটার সুযোগ বন্ধ করা।

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর পূর্ববর্তী মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো সংজ্ঞা নির্ধারণ না করেই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চাকরির ক্ষেত্রে কোটা, চাকরিতে প্রবেশ ও অবসর নেয়ার বয়স বাড়ানো এবং মাসিক ভাতাসহ অপরাপর সুবিধা দেয়া অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম যখন মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত হয়, তখন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৮৯২। ১৯৮৬ সালে পুনঃতালিকা প্রণয়ন করা হলে এর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় এক লাখ দুই হাজার ৪৫৮। অতঃপর ২০১২ সালে পুনঃতালিকা প্রণীত হলে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হয় দুুই লাখ চার হাজার ৮০০। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আবার তৈরির কাজ প্রক্রিয়াধীন থাকাবস্থায় আরো এক লাখ ৫০ হাজার আবেদনকারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৬২ হাজারের অধিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযোদ্ধারা চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে অনেকেই অবৈধ পন্থা অবলম্বন অথবা উৎকোচ দেয়ার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। সে প্রয়াস হতে দেখা যায় সরকারের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত সচিবরাও মুক্ত নন। সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ অপর তিনটি মন্ত্রণালয়ের সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া মর্মে প্রমাণিত হলেও এদের বিরুদ্ধে সনদ বাতিল ছাড়াও অদ্যাবধি ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি করার কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যানুপাতে বর্তমানে যে হারে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনি অবধি কোটার পরিধি রয়েছে তাতে দেখা যায় সামগ্রিক জনসংখ্যার হিসেবে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া তালিকাভুক্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার হলে এবং তাদের পরিবার পিছু সদস্য সংখ্যা ৫ হলে মুক্তিযোদ্ধাদের সামগ্রিক সংখ্যা দিয়ে দাঁড়ায় সাত লাখ ৫০ হাজার। এ সংখ্যাটি দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার ০.৪০ শতাংশ। সামগ্রিক জনসংখ্যার ০.৪০ শতাংশের জন্য কোটার পরিমাণ ৩০ ভাগ সার্বিক বিবেচনায় অসম। আর এ কারণেই মুক্তিযোদ্ধাদের কোটার হারে সংস্কারের দাবি উঠেছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা নাতি-নাতনি অবধি বিস্তৃত করাকে অনেকেই যুক্তিসঙ্গত মনে করেন না। এর পেছনে তাদের যে অভিমত তা হলো- যে লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও চেতনাকে লালন করে মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের নাতি-নাতনিরা সে লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও চেতনাকে যে লালন করেন এর নিশ্চয়তা কোথায়। এমনকি এদের অনেকের অভিমত এ প্রশ্নটি অনেক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান বা তাদের নাতি-নাতনি দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান অনুযায়ী যতক্ষণ পর্যন্ত নাগরিকদের অনগ্রসর অংশ হিসেবে বিবেচিত না হবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভে বিশেষ সুবিধা দেয়ার অবকাশ আছে কি না সে প্রশ্নটি দেখা দেয়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল ছিল গেরিলা যুদ্ধ। দেশের সাধারণ জনমানুষের ব্যাপক অংশের সমর্থন ছাড়া এ ধরনের রণকৌশল সফল হয় না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন এ দেশের সাধারণ জনমানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়, খাদ্য, অর্থ ও বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল। এ ধরনের সাহায্য করার কারণে সাধারণ মানুষের অনেকেরই ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল এবং অনেকে হত্যাচার, নিপীড়ন ও হত্যার শিকার হয়েছিলেন। এদের কেউই মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত হননি। সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণায় সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যে সব ব্যক্তি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য হবেন।’ প্রজ্ঞাপনটিতে আরো উল্লেখ করা হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। এ সংজ্ঞানুযায়ী দেশের সাধারণ জনমানুষের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও সে নিরিখে অত্যন্ত নগণ্যসংখ্যক ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার বিরল সুযোগ লাভ করেছিলেন।

যে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তির আত্মদানের বিনিময়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির জন্মলাভ ঘটেছে তাদের প্রতিটি পরিবার হতে ন্যূনতম একজনের প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভে সুযোগ ঘটেছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাব কী আমরা দিতে পারব?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য কোটা প্রথা প্রবর্তনের বিধান রয়েছে। দীর্ঘ দিন এ বিধান ভোগের ফলে যখন অনগ্রসর অংশটির নাগরিকদের অপরাপর অংশের সমপর্যায়ে উপনীত হওয়ার উপক্রম ঘটে তখন ধীরে ধীরে কোটার হারে হ্রাস ঘটানো হয় এবং সম্পূর্ণরূপে সমপর্যায়ে উন্নীত হলে কোটা প্রথার বিলুপ সাধন করা হয়। এমনো দেখা যায় একটি পরিবার থেকে একজন কোটার সুযোগ ব্যবহার করলে সে পরিবারটির জন্য কোটার সুযোগ গ্রহণের সুবিধা বারিত করা হয়।

আমাদের দেশে বিভিন্ন কোটাধারীর দীর্ঘ দিনের কোটা ভোগের কারণে অনগ্রসতার উত্তরণে তার যৌক্তিক সংস্কার প্রত্যাশিত হলেও তা করা হয়নি। এ দেশের ছাত্রসমাজ তথা জনমানুষের উল্লেখযোগ্য অংশের পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিন ধরে কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি জানানো হয়ে আসছিল। এ দাবিটির প্রতি দেশের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনমানুষের যে ব্যাপক সমর্থন রয়েছে, তা সাম্প্রতিক সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বানে পরিচালিত আন্দোলন থেকে স্পষ্ট প্রতিভাত।

আমাদের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের অপরাপর সব সদস্যই শপথের অধীন। শপথ গ্রহণ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বা অপরাপর কোনো মন্ত্রী পদে আসীন হন না। একজন প্রধানমন্ত্রী বা অপরাপর যেকোনো মন্ত্রীকে শপথ গ্রহণ করাকালীন অপরাপর বিষয়ের পাশাপাশি সুস্পষ্টরূপে ব্যক্ত করতে হয়- তিনি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সবার প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করবেন।

একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া পরবর্তী তিনি যেমন সমগ্র নির্বাচনী এলাকার জনমানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন অনুরূপ একজন সংসদ সদস্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া পরবর্তী সময় তিনি দেশের সমগ্র জনমানুষ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশবাসী সবসময় তার শপথের অনুসরণে ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের ঊর্ধ্বে থেকে ন্যায়পরতা ও সমতা প্রত্যাশী। প্রধানমন্ত্রীর স্বপঠিত শপথের মাধ্যমে তিনি ন্যায়পরতা ও সমতা হতে বিচ্যুত হওয়া থেকে বারিত।

সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আন্দোলনকে প্রশমিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে সংসদে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক বক্তব্য প্রদানকালীন কোটাব্যবস্থা বাতিলের যে কথা বলা হয়েছে তা তার সম্পূর্ণ বক্তব্যের আলোকে বিবেচনায় নেয়া হলে বিরাগের আভাস পাওয়া যায়। তাছাড়া তার এ বক্তব্যটি ইতঃপূর্বে পটিয়ার জনসভায় প্রদত্ত বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে কোটাব্যবস্থা বাতিলের কথা বললেও মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশ করবেন এমন কথাও বলেছেন। কোটা প্রথা তুলে দিয়ে বিকল্প পন্থায় অনগ্রসর শ্রেণীকে কোটার মতো অনুরূপ সুবিধা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশে এর আগে এ ধরনের সুযোগের ব্যবহারের নজির রয়েছে। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় নাগরিকদের যে শ্রেণী বা অংশ কোটাব্যবস্থার মতো বিশেষ বিধানের আনুকূল্য পাওয়ার হকদার তাদের বঞ্চিত করা কাম্য হতে পারে না। আর তাই কোটা বা বিশেষ ব্যবস্থা যেভাবেই হোক নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশ মূলধারার সমপর্যায়ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের তাদের লালন করে যেতেই হবে। আর তাই এ পথে জেদের বশবর্তী হয়ে কোটা প্রথার বিলুপ নয় সংস্কারই যথোপযুক্ত বিবেচিত।

লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক

E-mail: iktederahmed@yahoo.com

You Might Also Like