হোম » ‘প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক পদক্ষেপেই মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে’

‘প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক পদক্ষেপেই মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে’

ঢাকা অফিস- Friday, October 20th, 2017

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদের সমালোচনা করে বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, অনেকে বলেন- কই, কিছু তো এগুচ্ছে না। তাদের বলব, হায়রে কপাল মন্দ, চোখ থাকিতে অন্ধ।

আজ (শুক্রবার) সকালে শেরপুর নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্ন্যাসীভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সৌরবাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৫২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই হাজার ৫৬০ জন শিক্ষার্থী, ৩৭৭ জন মসজিদের ইমাম, ৩৫১ জন মোয়াজ্জিন, ২৮ জন সেবায়েত, ১৬ জন পুরোহিত এবং ৮ জন ধাত্রীর মাঝে তিন হাজার ৪৪৮টি সৌরবাতি বিতরণ করা হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করে আসছিল মিয়ানমার। শেষ পর্যন্ত দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিও বলেছেন যে, যারা সত্যিকারের রোহিঙ্গা, তাদের ফেরত নেবেন। এর আগে তো হ্যাঁ শব্দটাও তারা বলেননি। এখন তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গারা এলেও জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, এরশাদ সাহেব কিছুই করেননি। শেখ হাসিনাই বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে তুলে এনেছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছেন বলেই মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে। কূটনীতিতে মাথা খারাপ করলে চলে না। এখানে মাথা ঠাণ্ডা রেখে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করতে হয়।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের মাথায় একটি বিরাট বোঝা। প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় এদেশে নিয়েছে। যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরাও একটা দেশে আশ্রয় নিয়েছিলাম। তাই যখন রোহিঙ্গারা আমাদের কাছে আশ্রয় নিতে এসেছিল, তখন আমরা তাদের ফিরিয়ে দিতে পারিনি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা কীভাবে তাদের বুকে টেনে নিয়েছেন, তা আপনার দেখেছেন।

অনুষ্ঠানে, জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।