প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে থানা-পুলিশ

মো: বজলুর রশীদ : ২০২০ সাল মালয়েশিয়ায় করোনা মহামারী ছাড়াও রাজনৈতিক উত্থান-পতন ও দোলাচলের বছর হিসেবেও গুরুত্ব বহন করবে। এক বছরে সম্ভবত তিনজন প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসন প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার জনগণ। একজন বিদায় নিয়েছেন, বয়োবৃদ্ধ ও বিচক্ষণ মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিলেন, দ্বিতীয়জন ক্ষমতাসীন মুহিউদ্দিন, ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ক্ষমতায়, অন্যজন আসতে পারেন, তিনি আনোয়ার ইব্রাহিম। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়ায় একই সাথে করোনা মহামারী ও রাজনৈতিক সঙ্কট দু’টিই শুরু হয়। কে প্রধানমন্ত্রী হবেন এই নিয়ে রাজনীতি এখনো উত্তপ্ত।

মালয়েশিয়ায় ফেডারেল ধরনের সরকার রয়েছে। রয়েছেন সম্রাট, সেটিও ‘ইলেকটিভ মনার্কি’। রাষ্ট্রের প্রধান ইয়াং দা পারতুয়াং আগং’ সংক্ষেপে বলা হয় আগং, রাজা বা সম্রাট। সংবিধানকে সব শক্তির মূল ধরা হয়। রাজার নির্দেশও মান্য করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে রাজার কথাই শেষ কথা। কিন্তু এখন রাজাও যেন বেকায়দায়। জনৈক বিচারক কথা তুলেছেন, সাজাপ্রাপ্ত আনোয়ার ইব্রাহিমকে রাজা যে ক্ষমা ঘোষণা করেছেন সেটি সংবিধান বহির্ভূত, রাজার নির্বাহী ক্ষমতা বলা যায়। এসব নিয়ে এখন অবস্থা আরো উত্তপ্ত ও বিতর্কিত। রাজা সংবিধান বহির্ভূত কোনো নিয়মনীতি চাপিয়ে দেন না। রাজার কর্মপরিধি মূলত আনুষ্ঠানিক। তবে সংবিধানে ১৯৪৪ সালে কিছু পরিবর্তিত হয়ে মন্ত্রী নির্বাচন ও উচ্চকক্ষে সদস্য নিয়োগ রাজার ক্ষমতায় অন্তর্ভুক্ত হয়। রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্র বিষয়ক নীতিতে রাজা নিজেকে জড়ান না। তিনি পরিছন্ন থাকতে চান। মালয়েশিয়ার দেওয়ান রাখায়েত বা আইন পরিষদ দুই ভাগে বিভক্ত। একটি ফেডারেল, অপরটি স্টেটের। ফেডারেল আইন পরিষদ দু’কক্ষের, নিম্ন কক্ষ ও উচ্চকক্ষ বা সিনেট। সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালের মে মাসে। সেই নির্বাচনে পাকাতান হারাপান জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার পর বা ১৯৫৭ থেকে বারিসান ন্যাশনাল কোয়ালিশন ক্ষমতায়। গত নির্বাচনে তারা ক্ষমতাচ্যুত হয়। মাহাথির প্রধানমন্ত্রী হন। দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন নাজিব রাজাক দুর্নীতির কারণে হেরে যান এবং মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন। পাকাতান হারাপান ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে কোয়ালিশন করে ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন পার্টি, পিপলস জাস্টিস পার্টি (পিকেআর), ন্যাশনাল ট্রাস্ট পার্টি ও মালয়েশিয়ান ইউনাইটেড ইনডিজিনাস পার্টি (বরসাতু) নিয়ে। ২১ মাস ক্ষমতায় থাকার পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাহাথির মোহাম্মদ পদত্যাগ করেন। কারণ বরসাতু এবং পিকেআরের কিছু পাকাতান হারাপান জোট তাকে ত্যাগ করে। এরপরই মালয়েশিয়া গভীর রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ে। মুহিউদ্দিন দ্রুত ইউএমএনও, গত নির্বাচনে পরাজিত ইউনাইটেড মালয়েশিয়া ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সমর্থন আদায় করেন ও আরো কিছু ছোট দলের সমর্থন পান। ১ মার্চ ২০২০ তিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন। সম্প্রতি উমনু বা ইউএমএনও প্রধানমন্ত্রীর ওপর নানা কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন। মুহিউদ্দিনের দলের সদস্যরা দলত্যাগ করলে তাকেও পদত্যাগ করতে হবে। তাহলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? মাহাথির, আনোয়ার না অন্য কেউ? আনোয়ার ইব্রাহিম রাজাকে জানান, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে সরকার গঠনে সক্ষম, তাকে সমর্থন জানাচ্ছেন ১২১ জন। এই ‘বমশেল’র পরই রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

মাহাথিরের পর আনোয়ার ইব্রাহিম পাকাতান হারাপানের সর্বোচ্চ নেতা। তার নিজের দল রয়েছে এবং অন্যান্য বড় বড় দলের সমর্থনও তার রয়েছে বলে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পায়। তাই ধরেই নেয়া হয়েছিল, রাজার সাথে দেখা হলেই আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। কিন্তু বিষয়টি এত সোজা হয়নি! মালয়েশিয়ার রাজনীতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজা মূলত কোনো জনবিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি করতে যান না। তিনি সংবিধান ও সংসদের ওপর ছেড়ে দেন। কিন্তু এখন ঘটনা পরম্পরায় দেখা যায়, রাজা যেন পক্ষাবলম্বন করছেন। যেমন আনোয়ারকে সদলবলে দেখা করার কথা বলার পরও তিনি সেটি কোভিডের কারণ দেখিয়ে বাতিল করেন। প্রাসাদ থেকে বলা হয়, আনোয়ার কোনো তালিকা দাখিল করেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন ‘ইমরাজেন্সি’ ঘোষণা করতে। আনোয়ার বলেছেন, তিনি কোর্টে সেটি চ্যালেঞ্জ করবেন। তাই আনোয়ারের প্রথম প্রচেষ্টা সফল হয়নি বরং জটিলতর হয়েছে। বর্তমান রাজা আল সুলতান আবদুল্লাহ পরবর্তী সব গণসম্মেলনও করোনার অজুহাত তুলে বাতিল করেন। দেখা যায়, রাজনীতির বড় ব্লক উমনু আনোয়ার ইব্রাহিমকে সাপোর্ট দেবে, ফলে মুহিউদ্দিনকে বসে যেতে হবে। রাজনীতিতে গত ৫০ বছর ধরে এই দল খেলে আসছে। এবারো উমনু ডিসাইডিং শক্তি। মনে রাখতে হবে, আনোয়ার ইব্রাহিম উমনুর বড় সমালোচকও। নাজিবের তহবিল তসরুফ, নাজিবের সৎ ছেলে ও হলিউডের প্রডিউসার রিজা আজিজের মানি লন্ডারিং মামলা ইত্যাদির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বর্তমান সরকারকে উমনু সমর্থিত ‘ব্যাকডোর সরকার’ বলে ডাকেন। এমন পরিস্থিতিতে মাহাথির বলছেন, ‘আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী হলেও মালয়েশিয়ার দুঃখ ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটবে না।’

৭৩ বছর বয়স্ক নেতা আনোয়ার জানান, পাকাতান হারাপান ব্লকের ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন পার্টি (ডিএপি) ও পার্টি আমানাহ নিগারা নতুন সরকার গঠনে তাকে সমর্থন দিয়েছে। সরকার গঠনের জন্য ১১২টি সিট দরকার। পাকাতান হারাপান জোটে আছে ৯১ সিট, আর মাত্র ২১ সিট দরকার। এ রকম চমকপ্রদ রাজনৈতিক ভিন্নতার জন্য মালয়েশিয়ার রাজনীতিকে ‘রোলার কোস্টার রাজনীতি’ বলা হচ্ছে। চরম এই সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যিনি পারিকাতান ন্যাশনাল দলের। তিনি বলেছেন, ‘আমিই বৈধ প্রধানমন্ত্রী’। জবাবে আনোয়ার বলেন, বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরা তাকে সমর্থন দিয়েছেন, তারা বর্তমান নেতৃত্বের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এ দিকে সরকার সমর্থক সংসদ সদস্য আজমিন আলী আনোয়ারকে লক্ষ্য করে বলেন, আনোয়ার ‘অসংশোধনীয়’ ও ‘মানসিক রোগগ্রস্ত ব্যক্তি’। পার্টি প্রিভুমি বারসাতু মালয়েশিয়ার ইনফরমেশন চিফ ওয়ান সাইফুল ওয়ান বলেন, ‘আমি শুধু এতটুকু বলতে চাই, আনোয়ার ইব্রাহিমের রাজনীতি থেকে অবসর নেয়া উচিত।’ তিন দলের সমর্থন নিয়ে আনোয়ার বলেন, রাজার সাথে দেখা করে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ করে বলেন, ‘এক পতিত বৃক্ষ। আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমার সাথে কাজ করার জন্য।’ ‘নতুন প্রশাসনে মর্যাদাপূর্ণ পদ দেয়া হবে।’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণিত হলে রাজা আনোয়ারকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করে সরকার গঠনের জন্য বলতে পারেন। আনোয়ারের বিশ্বাস ছিল রাজা ‘স্টেটুইটরি ডিক্লারেশনের’ ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু রাজা সেটি করেননি। কেন তার কোনো উত্তর দেয়া সত্যিই কঠিন তবে অনেক কিছু বোঝা যায়। আনোয়ার ১৯৮২ সাল থেকে রাজনীতি করছেন, পাঁচ বছর তিনি ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার হিসেবে মাহাথিরের সাথে কাজ করেন। মুহিউদ্দিনও তার সাথে কাজ করেছেন। এখন তিনজন ত্রিধাবিভক্ত।

কিছু উমনু সংসদ সদস্য পুলিশের কাছে এই অভিযোগ করেন, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারা আনোয়ার ইব্রাহিমকে সমর্থন দেননি, অথচ প্রকাশিত তালিকায় তাদের নাম রয়েছে। রাজার সাথে আনোয়ারের ১৩ অক্টোবর বৈঠকের দিন ঠিক হয়েছিল। এই তালিকা এর আগেই প্রকাশ পায়। তন্মধ্যে একজন হলেন শাহিদান কাসিম। তিনি বলেন, ১০ অক্টোবর আমি জানতে পারি অথচ কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। পুলিশকে না জানিয়ে আমার কিছু করার ছিল না, তালিকায় নাম ছিল। মিডিয়ায় আনোয়ারের এসব জানানো ঠিক হয়নি। তিনি সংসদে সেটি প্রমাণ করতে পারেন। সংসদ সদস্য দাতুক আহমদ নাজলান ইদ্রিসও থানায় এফআইআর করেন। ইদ্রিস ব্যাখ্যা করেন, ১২১ জনের মধ্যে ২২ জন উমনুর। ১৫ জন উমনু সংসদ সদস্য প্রকাশ্যে না বলেছেন। তাদের মধ্যে শক্তিশালী রাজনীতিক হলেন, মাহাজির খালিদ (পেদাং), টেংকু মনসুর (পুত্রজায়া), তাজুদ্দিন আবদুর রহমান (সালাক), নূহ উমর (কারাং), আহমদ মাসলান (পন্টিয়ান) প্রমুখ। তারা বলেন, আনোয়ার মিডিয়ায় না করে সংসদে ঘোষণা করলে ভালো হতো।

পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছেন এই কারণে ‘স্টেটুইটরি ডিক্লারেশনের’ জন্য রাজার কাছে আবেদন করা হয়েছে এমন একটি মেসেজ ১৩ অক্টোবর ফেসবুকে পোস্ট করার কারণেও আরেকটি পুলিশ রিপোর্ট করা হয়েছে।

এত সব রিপোর্ট পাওয়ার পর পুলিশ বসে থাকতে পারেনি। তারা পিকেআর প্রেসিডেন্ট আনোয়ার ইব্রাহিমকে বুকিট আমান দফতরে ডাকেন। সিআইডি ডাইরেক্টর হুজির মোহাম্মদ সাংবাদিকদের জানান, আনোয়ার ইব্রাহিমকে সমর্থন দিয়েছেন বলে যে ১২১ জন সংসদ সদস্যের তালিকা পকাশ পেয়েছে সেটি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। এই বিষয়ে ১১৩টি পুলিশ রিপোর্ট কেন্দ্রে পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ার আইনে সমতা, অধিকার ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কিছুর প্রচারণা চালানো নিষেধ। আনোয়ারের ১১ তারিখেই বুকিট আমানে যাওয়ার কথা, সেটি পরে বাতিল হয়।

আনোয়ার মিডিয়ায় এসে বলেন, কে কাকে সমর্থন দিলো, কে কাকে নিয়ে সরকার গঠন করল এসব পুলিশের বিষয় নয়। তারপরও ‘যখন মামলা হয়েছে আমি দফতরে যাবো। দফতরে তিনি অনেক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। এ দিকে আমানাহ পার্টির সব এমপি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন।

স্পিকার ঘোষণা দিয়েছেন, ২ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর, ২৭ দিনের জন্য সংসদ বসবে। এ দিকে আনোয়ারের বিভিন্ন শোডাউনে ভীত প্রধানমন্ত্রী ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার পথে হাঁটছেন। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশে জরুরি অবস্থা বা আংশিক জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য তিনি প্রস্তুত। জরুরি অবস্থা দেয়া হলে সংসদ অধিবেশন আর বসবে না। এটি ক্ষমতায় দীর্ঘ দিন থাকার সরকারের একটি কৌশল। আনোয়ার বলেছেন, তিনি আদালতে যাবেন। অপর দিকে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে হলে আর্টিকেল ১৫০ ধারা মতে তা সারা দেশেই প্রযোজ্য হবে। ‘আংশিক জরুরি অবস্থা’ বলে কিছু নেই। তা ছাড়া ’অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা বা স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা বলেও কিছু নেই। বার কাউন্সিলের সভায় আইনজীবীরা এসব বক্তব্য দিয়ে সরকারকে হুঁশিয়ার করে দেন। আইনজীবী সুরেন্দ্র অনাথ বলেন, রাজা আর্টিকেল ১৫০(১) ধারা মতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা দিতে পারেন। তবে আইনজীবী জোহন চ্যালেঞ্জ জানান, সেটি সঠিক ব্যাখ্যা নয়। তারা বারবার বলেন, ‘রাজনৈতিক জরুরি অবস্থা’ বলেও কোনো কিছু নেই। ১৫০(১) ধারায় রাজার জরুরি অবস্থা জারির ‘সন্তুষ্টির’ বিষয় বর্ণিত আছে। কিন্তু রাজা নিজে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না। পক্ষের নেতারা বলছেন, জরুরি অবস্থার জন্য অনেক কারণ দরকার, অর্থনৈতিক অন্তর্ঘাতমূলক কাজ এমন একটি। এসব আনোয়ার, ডিএপি এবং পাকাতান হারাপানের কর্মফল। সমস্যা প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন সৃষ্টি করেননি, করেছেন মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি আনোয়ারের পথ রুদ্ধ করার জন্য পাকাতান হারাপানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এতে মুহিউদ্দিনের উত্থান হয়েছে। এখন চরম অনিশ্চয়তায় কাটছে মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা। রাজা জরুরি অবস্থা জারির সম্মতি না দিলেও নির্বাহী আদেশ দিয়ে রাজনৈতিক ডামাডোল বন্ধ করতে পারেন। আপাতত মালয়েশিয়ায় একটি ‘রাজনৈতিক অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর করা প্রয়োজন।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব ও গ্রন্থকার