পায়ের ‘নো বল’ চেক করবেন তৃতীয় আম্পায়ার

অনাকাঙ্খিত এক ‘নো বল’! আর তাতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায় প্রায় সময়। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ পাকিস্তানের ফাখার জামানকে বোল্ড করে উল্লাসের পর জানতে পারেন ‘নো বল’ করেছেন তিনি। ব্যাস, ম্যাচে বাকি গল্প নিজের করে নিয়েছিলেন ফাখার। শতক হাঁকিয়ে দলকে জেতালেন শিরোপা।

তবে সেই ‘নো বল’ মাঠের আম্পায়ারের দৃষ্টিগোচর হয়নি। তৃতীয় আম্পায়ার চেক করে জানিয়েছিলেন। আর তাই আইসিসি এখন থেকে পায়ের নো চেক করার দায়িত্ব দিচ্ছে তৃতীয় আম্পায়ারের উপর। আসন্ন ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সিরিজ দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এই নিয়ম। পায়ের নো নির্ণয় করতে প্রযুক্তির আশ্রয় নিচ্ছে আইসিসি। একই সঙ্গে মন্থর ওভার রেটের জন্য কাটা হবে পয়েন্ট। আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার জিওফ অ্যালারডিস নিশ্চিত করেছেন নতুন এই নিয়মের বিষয়ে।

যেখানে জানানো হয়েছে, প্রতিটি বলের পর বোলারের সামনের পায়ের অবস্থান দেখবেন তৃতীয় আম্পায়ার। ‘নো বল’ হলে সঙ্গে সঙ্গেই জানাবেন মাঠের আম্পায়ারকে। তৃতীয় আম্পায়ারের নির্দেশনা ছাড়া পায়ের কোনো ‘নো বল’ ডাকতে পারবেন না মাঠের আম্পায়াররা। তবে বাকি সব নো বলের সিদ্ধান্ত মাঠ থেকে দেবেন তারা।

২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তিন বছর পর ২০১৯ সালে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সীমিত ওভারের সিরিজে আবারও পায়ের ‘নো বল’ ডাকার দায়িত্ব দেওয়া হয় টিভি আম্পায়ারকে। চলতি বছরের শুরুতে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিল এই নিয়ম।

অ্যালারডিস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে অবশ্যই ফ্রি-হিটের গুরুত্ব আছে এবং ‘নো’ বল নির্ভুলভাবে ডাকা দরকার। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্রিকেট কমিটি এই নিয়ম চালু করার সুপারিশ করেছে এবং এটি সুপার লিগের শর্তেও আছে। ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সিরিজে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে।’ উল্লেখ্য, ৩০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই সিরিজ দিয়ে চালু হতে যাচ্ছে সুপার লিগ।

সুপার লিগে প্রতি জয়ের জন্য মিলবে ১০ পয়েন্ট। টাই অথবা ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে মিলবে ৫ পয়েন্ট। তবে মন্থর ওভার রেট মাথায় রেখে খেলতে হবে প্রতিটি দলকে। সুপার লিগে নির্ধারিত সময়ের পর করা প্রতিটি ওভারের জন্য একটি করে পয়েন্ট কাটা হবে।

You Might Also Like