হোম » ‘পদ্মা সেতু’

‘পদ্মা সেতু’

admin- শুক্রবার, মার্চ ১০, ২০১৭

সৈয়দ আবুল হোসেন বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ‘আমার কথা’। এই বইয়ে তিনি নিজের চিন্তা, কর্মকান্ড, মূল্যবোধ, নানা অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে লিখেছেন।

এটি পড়লে তাকে যারা পুরোপুরি চিনেন না তাদের সুবিধা হবে। বইটি ‘এখন সময়.কম’এ ধারাবাহিকভাবে ছাপছে। বইটির আজকের পর্বে থাকছে ‘পদ্মা সেতু’।

আমার এলাকার অনেকেই আমাকে অনুরোধ করতেন, আমি যেন বাংলাদেশর সবচেয়ে বড় সেতু ‘পদ্মা সেতু’ তৈরি করি। এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করি। বাংলাদেশের ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট পদ্মা সেতু প্রকল্পটি একটি ইতিহাস তৈরি করবে। এ সেতু শুধু একটি নির্মাণ-প্রকল্প নয়। এটি এমন একটি গল্প, যার পেছনে থাকবে হাজার হাজার মানুষের স্বপ্নিল অবদান এবং নিবিড় আগ্রহ। এটা হবে আমাদের জাতির অগ্রগতি ও মর্যাদার অনুপম প্রতীক, যাকে ঘিরে আবর্তিত হবে আমাদের আর্থনীতিক কর্মকাণ্ড।

যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালীন পদ্মা সেতুর প্রথম যে ড্রয়িংটি আমি পাই, সেখানে কোনো রেল লাইন ছিল না। আমি এটা পর্যবেক্ষণ করলাম। প্রথম আলোচনাসভাটি তাদের পরিকল্পনার ওপর কোনোপ্রকার মন্তব্য ছাড়া শেষ করলাম। ফলে প্রকল্পের লোকজন বুঝতে সক্ষম হয়েছে, তাঁদের আরও ভালো কিছু করতে হবে। তাঁরা এক মাস পর নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আমার কাছে আসে। সেটাও খুব ভালো ছিল না। সরাসরি না হলেও তাঁদের ইশারা-ইঙ্গিতে এটা বুঝিয়ে দিই। তাঁরাও বুঝতে পারেন।

আমি তাঁদের বলি, মানুষের বানানো সবচেয়ে সুন্দর সেতুর একটি সেতু আমরা নির্মাণ করতে চাই। এর অর্থ হচ্ছে, আমরা এটাকে সবচেয়ে দীর্ঘ, সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সুন্দর এবং সবচেয়ে কার্যকর একটি বহুমুখী সেতু হিসাবে দেখতে চাই। সেখানে থাকবে সবচেয়ে সুন্দর যাতায়াত-পথ। এর আশপাশে থাকবে বাগান ও ফোয়ারা। উভয় পাশে যাতে পর্যটন-কেন্দ্রিক স্থাপনাও গড়ে তোলা যায়- সেটাও ভাবতে হবে। আমরা এ যাবৎকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একটি সেতু নির্মাণ করতে চাই। সুতরাং ড্রয়িংও হতে হবে সুন্দর এবং শ্রেষ্ঠ ও অতুলনীয়।

আগামীদিনে পদ্মা সেতু হলে সেটি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের শহরের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হতে পারে। এ সেতুর নকশার ধরন এমন, যাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুরুচিসম্মত সেতু হিসাবে বিবেচনা করা হবে। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দ্বিতলবিশিষ্ট এ সেতু নির্মিত হবে কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে। উপর দিয়ে চলবে যানবাহন আর নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে সেতুটি পূর্ণ-উদ্যমে চালু হবে।

AECOM-এর ডিজাইনে পদ্মা নদীর উপর বহুমুখী আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প যার দৈর্ঘ্য ৬,১৫০ মিটার (২০,১৮০ ফুট), প্রস্থ ২১.১০ মিটার (৬৯.২ ফুট); এর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০১১ খ্রিস্টাব্দে এবং শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছিল ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনে সেতুটির গুরুত্ব অপরিসীম। সেতুটি হলে দেশের জিডিপি ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। সেতুটিতে চার লেন-বিশিষ্ট মহাসড়ক এবং নিচে একটি রেললাইন থাকবে। পুরো প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয় ২৯২ কোটি ডলার- যার মধ্যে এডিবির ঋণ সহায়তা ৬১.৫ কোটি ডলার। এছাড়া বিশ্বব্যাংক ১২০ কোটি ডলার, জাইকা ৪১.৫ কোটি ডলার, আইডিবি ১৫.৫ কোটি ডলার, আবুধাবি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ ৩ কোটি ডলার ঋণ-সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল।

পরামর্শক নিয়োগে তথাকথিত দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৯ জুন, ২০১২ বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি বাতিলের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। এ ঋণচুক্তি বাতিল ছিল একটি ষড়যন্ত্র। এ ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে আমাকে, সরকারকে, দেশের জনগণকে। এটা যে ষড়যন্ত্র ছিল তা পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে। পরে সরকার ঘুরে দাঁড়ায়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন

শুরু করে। ফলে পুরো পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসের প্রথমার্ধের মধ্যে সেতু নির্মাণের কাজ এক-চতুর্থাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আমার ডিজাইন অনুযায়ীই পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমার দ্বারা শুরু-করা কাজ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এগিয়ে নেওয়ায় সমগ্র দেশ উপকৃত হবে, সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হবে। পদ্মা সেতু হবে বিশ্বের স্থাপত্যশিল্পের অপূর্ব নিদর্শন।

দেশের সর্ববৃহৎ এ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে টেস্ট পাইলিঙের কাজ। সংযোগ-সড়ক নির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও প্রকল্প এলাকার উন্নয়নে ৬শ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দক্ষিণ জনপদের ১৯টি জেলা।

সাতটি ভাগে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মূল সেতু নির্মাণের দায়িত্বে আছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী ১২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকায় ৪৮ মাসের মধ্যে তাদের কাজ শেষ করার কথা। সে হিসাবে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে। ৮ হাজার ৭০৭ কোটি টাকায় নদী-শাসনের জন্য চীনের সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয় ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ নভেম্বর। শুরু হয়েছে নদী-শাসনের কাজ। ১২৯০ কোটি টাকায় বাংলাদেশের আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও মালয়েশিয়াভিত্তিক এইচসিএম যৌথভাবে করছে মাওয়া ও জাজিরায় সংযোগ-সড়ক নির্মাণের কাজ। মাওয়ার কাজ ইতোমধ্যে ২২ শতাংশ এবং জাজিরায় ২৯ শতাংশ এগিয়েছে। মূল সেতু ও নদী-শাসন কাজের পরামর্শক হিসাবে রয়েছে কোরিয়ান এক্সপ্রেস ওয়ে। এজন্য ব্যয় হবে ৩৮৩ কোটি টাকা। আর ১৩৩ কোটি টাকায় সংযোগ-সড়ক ও সার্ভিস এলাকার পরামর্শকের কাজ করছে সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন।

পদ্মার ওপারে জাজিরা ও শিবচরে চলছে আরও বড় কর্মযজ্ঞ। মূল সেতু যেখানে নামবে সে নাওডোবা থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শুধুই নির্মাণকাজ। ড্রেজিং পাইপে বালু এনে ফেলা হচ্ছে পুরো এলাকায়। সংযোগ-সড়ক, সংযোগ-সেতু, কালভার্ট, সার্ভিস এলাকা ও সেনাক্যাম্প নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে পুরোদমে।

পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বাড়বে। পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ইতোমধ্যে ২০০ বিদেশিসহ প্রায় ২ হাজার লোকের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে। কাজ পুরোদমে শুরু হলে প্রত্যক্ষভাবে ২০ থেকে ২৫ হাজার লোকের সম্পৃক্ততা লাগবে, যার মধ্যে ২ হাজার বিদেশি থাকবে। পদ্মা সেতুর দুই তীরে হংকং-এর আদলে শহর গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য ২৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় আর্থনীতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি-সঞ্চালক ৮টি বৃহৎ প্রকল্পকে (ঋধংঃ ঞৎধপশ চৎড়লবপঃং) দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতে আনা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হচ্ছে : পদ্মা সেতু প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প, এমআরটি-৬ প্রকল্প, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পায়রা সমুদ্রবন্দর প্রকল্প। এসব প্রকল্পের মধ্যে পদ্মা সেতু ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প দুটি বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে শেষ হবে।

আমি মনে করি, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে বাংলাদেশ একটি নতুন যুগে প্রবেশ করবে। রাজধানীর সীমানার পরিবৃদ্ধি ঘটবে, ঢাকা হয়ে উঠবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম মনোহর নগরী- যার কার্যক্রম বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ বাংলাদেশের জনগণের প্রতীক হয়ে সারাবিশ্বকে বিমোহিত করে দেবে।

পদ্মা সেতু পৃথিবীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং ব্যস্ত সেতু হিসাবে পরিচিত, যা জাতির জন্য বিরাট গৌরবের বিষয়। এটি হবে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং সচল অর্থনীতির সফল চাবিকাঠি। এটা আমাদের গর্ব ও অহংকারের প্রতীক হয়ে উঠবে। এটা শুধু বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার গৌরবের প্রতীক। পদ্মা সেতু আধুনিক সভ্যতার নিদর্শন হিসাবে গণ্য করা হবে। আমি আশা করি, পদ্মা সেতু নতুন পরিবর্তিত বিশ্বের আশার প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হবে, যা দেশের উত্তর-দক্ষিণের মিলন ঘটাবে। বর্তমানে বিশ্বে যোগাযোগের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য-সভ্যতার কথা উঠলে এর একটি হবে পদ্মা সেতু। সেখানে মানুষের সৃজনশীলতা শুধু রাজত্ব করবে, সেখানে থাকবে না কোনো ভৌগোলিক সীমানা কিংবা জাতিগত বা ধর্মীয় কোনো প্রতিবন্ধকতা। এ কাজের ভিত্তিমূলে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার সুযোগ- আমার জন্য গর্বের।

মনোমুগ্ধকর পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ করবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রকৌশলী, হাজার হাজার শ্রমিক, পরামর্শক এবং অন্যান্য খাতের বিশেষজ্ঞগণ। এ সেতু নির্মাণে ব্যবহার করা হবে নতুন নতুন কৌশল ও প্রযুক্তি, যা আগে কখনও করা হয়নি। এটাই হচ্ছে বাংলাদেশ, যেখানে অনেক মেধাবী মানুষ একত্রিত হয়ে বড় বড় স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে। বিশে^র মানচিত্রে বাংলাদেশ নানা কারণেই লক্ষণীয় ও উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর একটি দেশ হিসাবে পরিচিতি পাচ্ছে। একটি প্রতিনিধিত্বশীল দেশ হিসাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশটি প্রতিবছর তার মর্যাদা ও সমৃদ্ধি বাড়িয়ে চলেছে। তারা নবযুগের এ পৃথিবী সম্পর্কে সচেতন। ভবিষ্যৎ তো তারই জন্য, যে স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে, স্বপ্নের পিছু ছুটতে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশের মানুষ এ স্বপ্ন দেখা ও বাস্তবায়নে উপযুক্ত।

পদ্মা সেতু থেকে আমরা প্রত্যক্ষভাবে কোনো অর্থনীতিক সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করি না। বরং পদ্মা সেতু সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিকে উপকৃত করবে। বাংলাদেশের, বিশেষ করে, দক্ষিণাঞ্চলের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাবমূর্তি বহুগুণ বৃদ্ধি করবে। এটা বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড’ হিসাবে কাজ করবে, ফলে অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। আমরা সমন্বিত, সুসংহত, সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সুপরিচিত সেতুর মালিক হব। সারা বিশ্বের মানুষজন আমাদের এখানে বেড়াতে আসবে।

বিশ্ববাসী ও আমাদের জনগণকে পদ্মা সেতু একটি ম্যাসেজ দিচ্ছে। আমরা বলি, আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। বিভিন্ন শাখায় আমরা সারাবিশে^র মধ্যে এক নম্বর হতে পারি। আমরা পৃথিবী নতুনভাবে সাজাতে পারি। আমরা ইতিহাসে এবং সভ্যতায় কোনো আগন্তুক বা নবজাতক শিশু নই। আমরা তোয়াক্কা করি না, তাদের দিকে তাকাই না, যারা আমাদের এবং আমাদের জনগণের সক্ষমতা, কর্মস্পৃহা, উদ্যম এবং বিশ^াসকে অবজ্ঞা ও অসম্মান করে। এই দুনিয়াকে জানাই, বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ^-অর্থনীতির নতুন সত্তা- যা হবে আগামী দিনের পদ্মা সেতুর মতো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত। সেতু হিসাবে নয়, মানুষের মিলনমেলার স্থাপত্য-নিদর্শন হিসাবেও এটি চিহ্নিত হবে।

আমি মনে করি, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে বাংলাদেশ একটি নতুন যুগে প্রবেশ করবে। রাজধানীর সীমানার পরিবৃদ্ধি ঘটবে, ঢাকা হয়ে উঠবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম মনোহর নগরীÑ যার কার্যক্রম বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ বাংলাদেশের জনগণের প্রতীক হয়ে সারাবিশ্বকে বিমোহিত করে দেবে।

আগামী সংখ্যার আকর্ষণ- ​‘ঐক্যবদ্ধ শক্তি সাফল্যের মেরুদণ্ড’