পদ্মা সেতুর দুর্নীতি: অব্যাহতি পেলেন বাকি আসামিরাও

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের মামলায় দুদক রবিবার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

ঢাকা সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ জহুরুল হকের আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এই মামলার আসামি সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইঞা, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের তিন কর্মকর্তাসহ সাত আসামিকেই অব্যাহতি দিয়েছেন।

চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ ও সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি দুদকের স্পেশাল পিপি মীর আবদুস সালাম নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম প্রতিবেদনটি ঢাকার সিএমএম আদালতে দাখিল করেন। এর আগে, গত ৩১ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদনটি কমিশনে জমা দেওয়া হয়। মামলাটি নথিভুক্ত করে এর কার্যক্রম বন্ধ করার সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন পেশ করেন মির্জা জাহিদুল আলম।

দুদকের ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত মহাজোট সরকারের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এছাড়া, তদন্ত প্রতিবেদনে দুদকের দায়ের করা মামলার আসামি কানাডীয় প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের তিন কর্মকর্তা সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল ও আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ, সেতুর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র মূল্যায়নে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব কাজী ফেরদৌস, সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের ও এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মোস্তফাকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।

কানাডার প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনকে পদ্মা সেতুর পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দিতে ঘুষ লেনদেন করেছেন অভিযোগে ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীতে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

You Might Also Like