নীলফামারীতে তিস্তার পানি কমায় বন্যার উন্নতি

উজানের পাহাড়ি ঢলের পানি কমে যাওয়ায় তিস্তা নদীর নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে। এতে সেখান থেকে রেড অ্যালার্ট তুলে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টায় এ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিলো।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) রাত ১২টায় গত ৩০ বছরের রেকর্ড ভেঙে ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপরে ছিলো। এতে তিস্তার ব্যারাজ ও এর আশপাশ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তিস্তায় পানি কমায় নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়া মানুষ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে পানি কমায় বেশ কিছু এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

কয়েক দিনের টানা ঢলে ডিমলা উপজেলার নদীবেষ্টিত পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপনী, পশ্চিমছাতনাই ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বহু মানুষ গবাদিপশু, বাক্সপোটরা নিয়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছিল।

জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী, গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারী এলাকার দুই হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়। তিস্তা নদীর পানিতে দুই উপজেলার অসংখ্য ফসলী জমির আমন বীজতলা, রোপণ করা রোপা ধান তলিয়ে যায়।

ডিমলা উপজেলার চরখড়িবাড়ী এলাকার আবুল কাশেম ও জব্বার জানান, বন্যার পানি কমে যাওয়ায় তারা বাড়িতে ফিরে এসেছেন। এখন বাড়ি-ঘর মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রাণী রায় বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে নগদ টাকা বিতরণের কাজ চলছে।

You Might Also Like