নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে জাপান

অগ্ন্যুতপাতের কারণে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে জাপান নামের দেশটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে একদল গবেষক। শুধু তাই নয়, গবেষকরা এই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সময়সীমাও টেনে দিয়েছেন। আগামী ১০০ বছরের মধ্যে অগ্ন্যুতপাতের কারণে জাপানের মোট জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশ মারা এবং ভূভাগ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

কোবে ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা আরও জানান, কায়ুসু দ্বীপে অবস্থিত বিশাল আগ্নেয়গিরিই হতে পারে জাপানের মৃত্যুর কারণ। গত এক লাখ বিশ হাজার বছরে এই আগ্নেয়গিরিটি সাতবার লাভা উদগীরণ করে। এটাকে শুধু ভবিষ্যতবানী ভাবলে ভুল ভাবা হবে। কারণ অতীত রেকর্ড এবং সম্ভ্যাব্য সকল বিষয় বিচার বিশ্লেষণ করে এই ধারণায় পৌছানো হয়েছে।

কায়ুসু দ্বীপের আগ্নেয়গিরি ছাড়াও জাপানের দক্ষিণের দ্বীপেও আগ্নেয়গিরি অবস্থিত। এই আগ্নেয়গিরি উদগীরণ শুরু করলে পুরো হনশু প্রদেশ লাভা আর ছাইয়ে ঢেকে যাবে। এছাড়াও বাতাসে যে বিষ ছড়িয়ে পরবে তাতে ১২০ মিলিয়ন মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত আগ্নেয়গিরি থেকে মাত্র চল্লিশ মাইল দূরেই অবস্থিত জাপানের সবচেয়ে বড় পরমাণু ক্ষেত্র। এছাড়াও লয়োমা পর্বতের পাশের আগ্নেয়গিরির কারণে প্রায়ই পর্বতটিকে মৃদ্যুকম্পনের সৃষ্টি হয়। গত মাসে লয়োমায় যে মৃদুকম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল তা টানা সাত মিনিট স্থায়ী হয়েছিল।

তবে জাপানের অধ্যাপক ইয়োশেঙ্কু তাতসুমি এবং কেইকো সুজুকি অবশ্য বলছেন যে আগামী ১০০ বছরে এরকম বিপর্যয় ঘটনার সম্ভাবনা মাত্র এক শতাংশ। কিন্তু এই দুই অধ্যাপক উপরোক্ত গবেষকদের দাবিও অস্বীকার করেননি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জাপানের ওন্তেক পর্বতে অগ্ন্যুতপাতের কারণে প্রায় ৫০জন পর্বতারোহী মারা যায়।

You Might Also Like