হোম » নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন

নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন

ঢাকা অফিস- বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। বুধবার বেলা তিনটায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রথমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথবাক্য পাঠ করান। পরে একে একে কমিশনের অন্য চার সদস্যকে শপথ করান। পরে তারা শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। শপথ শেষে প্রধান বিচারপতির চা চক্রে অংশ নেন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা।

শপথের মধ্য দিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশনের যাত্রা শুরু হলো। এই কমিশনের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আগামী পাঁচ বছর বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ এবং নির্বাচন কমিশন সদস্যদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই কমিশনের সদস্যরা আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যাচ্ছেন। সেখানে তারা সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

সিইসির সঙ্গে শপথ গ্রহণ করেছেন চার নির্বাচন কমিশনার সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এই কমিশনকে আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি স্বাগত জানালেও সিইসিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি ও তাদের জোট। বিএনপির অভিযোগ, নতুন সিইসি ১৯৯৬ সালে জনতার মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তবে সিইসি কে এম নুরুল হুদা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি তখন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছিলেন। তাই জনতার মঞ্চে থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না। এছাড়া তিনি নিজের কাজ দ্বারা নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে চান চলেও ঢাকাটাইমসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।

সিইসির ব্যাপারে বিএনপির আপত্তি থাকলেও অন্য কমিশনারদের ব্যাপারে দলটির কোনো আপত্তি নেই। এছাড়া আগামী ৬ মার্চ ১৮টি উপজেলা পরিষদে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাতে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন নিয়ে আপত্তি থাকলেও আগামী জাতীয় নির্বাচনেও দলটি অংশ নেবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরপর দুই নির্বাচনে অংশ না নিলে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যায়। নিবন্ধন বাঁচাতে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া বিএনপির সামনে কোনো পথ খোলা নেই।