দ. চীন সাগরে আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করছে চীনা ক্ষেপণাস্ত্র

মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে চীনা ক্ষেপণাস্ত্র। দক্ষিণ চীন সাগরে সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপক হারে মোতায়েন করায় মার্কিন এবং চীনা নৌবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে দেয়া নতুন এক প্রতিবেদনে এ সব কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশন ২৮ অক্টোবর এ প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে সাবমেরিনে অত্যাধুনিক চীনা ক্ষেপণাস্ত্র ওয়াইজে-১৮ মোতায়েনের বিপদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষের সময় পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন রণতরীগুলোর অবাধ চলাচলের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে উল্লেখ করা হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, শব্দের চেয়ে দ্রুত গতির হওয়ায় রণতরীর কামান দিয়ে এ ক্ষেপণাস্ত্রকে আঘাত করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া, তীব্র গতির কারণে রাডারেও এ ক্ষেপণাস্ত্র ধরা বেশ কঠিন হয়ে উঠবে বলে জানান তিনি।

সাগরের পানির সামান্য ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৯৬৫ কিলোমিটার বেগে উড়ে যেতে পারে ওয়াইজে-১৮ ক্ষেপণাস্ত্র। লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগে এর গতি আরো প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায় বলে মার্কিন কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে নির্মিত কৃত্রিম দ্বীপের কাছে মার্কিন জাহাজ পাঠানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন চীন-মার্কিন সম্পর্কে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে তখন এ খবর প্রকাশিত হলো।

গত ২৭ অক্টোবর দক্ষিণ চীন সাগরের সুবি রিফের ১২ নটিক্যাল মাইলের ভেতর ঢুকেছিল মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস লাসেন। বিতর্কিত স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জের কাছ দিয়ে অতিক্রম করে মার্কিন রণতরী। এ সময় যুদ্ধজাহাজটির সঙ্গে মার্কিন একটি নজরদারি বিমানও ছিল বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩০ অক্টোবর এ যাবতকালের সবচেয়ে কঠোর ভাষায় ওয়াশিংটনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছে বেইজিং। চীন বলেছে, ক্ষুদ্র ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ উস্কে দেয়ার ঝুঁকি নিয়েছে আমেরিকা।

You Might Also Like