তছলিমার শয্যাসঙ্গী সৈয়দ হক কেন, প্রশ্ন রনির

সব্যসাচী বলে পরিচিত কবি ও সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাগরিক সংবর্ধনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি গোলাম মওলা রনি।
শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে ‘সৈয়দ হকের খপ্পরে পড়া ঠিক হয়নি!’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই প্রশ্ন তুলেছেন।
রনি সৈয়দ হককে ‘অশ্লীল বৃদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেবার মতো যোগ্য লোকের অভাব তো এদেশে ছিল না। ড. আনিসুজ্জামান, ড. মুনতাসির মামুন কিংবা কামাল লোহানীর মত মানুষ থাকতে কেন একজন বিতর্কিত এবং অশ্লীল বৃদ্ধকে নেতৃত্বে রেখে এমন একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হলো?’
তিনি লিখেছেন, ‘তছলিমা নাসরিনের শয্যাসঙ্গী এবং বহু রগরগে আরব্য রজনীর সর্বনেশে কামপুরুষ যখন জননেত্রীর প্রশংসার চেষ্টা করছিলেন, তখন মঞ্চ এবং মঞ্চের সামনে বসা দেশের ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ দলটির পোড় খাওয়া যোগ্য নেতা-কর্মী-সমর্থক এবং সম্মানীত বুদ্ধিজীবীদের মলিন এবং সম্ভবত অপমানিত মুখচ্ছবি আমার ভালো লাগেনি।’
রনি আরো লিখেছেন, ‘রাজা শশাংক-হর্ষবর্ধন থেকে শুরু করে পাকিস্তানী ভাঁড় মোনায়েম খার আমলেও ধড়িবাজ এবং কলঙ্কিত কবিরা এতো উঁচু মার্গের সুকর্ম করতে পারেনি।’
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের’ জন্য তাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়।
সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দেশরতœ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। নাগরিক কমিটির সভাপতি ও লেখক সৈয়দ শামসুল হক তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন।
সৈয়দ শামসুল হক বলেন, ‘আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামের প্রারম্ভে আবশ্যিকভাবে দেশরতœ শব্দটি ব্যবহার হবে। আমি সবার পক্ষ থেকে তাকে দেশরতœ উপাধিতে ভূষিত করছি।’
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শিক্ষাবিদ অনুপম সেন, অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান প্রমুখ।