ঢাকাকে ভিক্ষুকমুক্ত শহর করা হবে

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী বলেছেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঢাকা শহরকে ভিক্ষুকমুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির এক প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’ ভিক্ষুকমুক্তকরণ ও ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সরকার ২০১০ সাল থেকে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ১০টি জোনে ভাগ করে জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ১০ হাজার ভিক্ষুকের আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

সৈয়দ মহসিন আলী বলেন, জরিপকৃতদের মধ্য থেকে পাইলটিং পর্যায়ে ময়মনসিংহ জেলায় ৩৭ জন ও জামালপুর জেলায় ২৯ জন ভিক্ষুককে রিকশা, ভ্যান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার পুঁজি হিসেবে মূলধন প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়।

তিনি বলেন, সুফলভোগীগণ প্রাপ্ত উপকরণ ও মূলধন ব্যবহারের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে এবং ভিক্ষাবৃত্তি পরিহার করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের বিমান বন্দর এলাকা, হোটেল সোনারগাঁও, হোটেল রূপসী বাংলা, হোটেল রেডিসন, বেইলী রোড, কূটনৈতিক জোন ও দূতাবাস এলাকাগুলোকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

সৈয়দ মহসিন আলী বলেন, ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির ১৪তম সভায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি স্পর্শকাতর বিবেচনায় এনে এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অনুমোদন চেয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পত্র পাঠানো হয়েছে অনুমোদন পাওয়ার পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

You Might Also Like