ডিম-সবজির প্রভাবে কমেছে মূল্যস্ফীতি

জানুয়ারিতে শীতে সবজি বাজারে উত্তাপ কিছুটা কমে যায়। এরপর কাচাবাজারে বসন্ত নামে গত ফেব্রুয়ারিতে। যার ধারাবাহিকতা থাকে মার্চেও। অনেকটা কম দামে পাওয়া যায় শাক-সবজি।

রাজধানীতে এক কেজি টমেটো বিক্রি হতে দেখা যায় ১০ থেকে ১৫ টাকায়। আর লাউয়ের দাম ছিল ২০/২৫ টাকায়। এছাড়া শিম, ফুল কপি, বড় বাধা কপিও পাওয়া যায় ৩০ টাকার নিচে।

শীতের অন্য সবজিও বিক্রি হয় প্রতি কেজি ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকায়। গাজর বিক্রি হতে দেখা যায় ১৫ টাকা। ফলে মূল্যস্ফীতি এর প্রভাব পড়েছে। গত তিন মাসে গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ ভাগ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ গত তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) গড় মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর- ডিসেম্বর) গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশে। এ হিসেবে দেখা যায় গত তিন মাসে গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ ভাগ।

আর চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (প্রথম প্রান্তিক) গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গেলো দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে ডিম, শাক-সবজি ও মসলা জাতীয় পণ্য ইত্যাদির দাম কমেছে। তবে পরিধেয় বস্ত্র, জ্বালানি ও আলো, বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন এবং শিক্ষা উপকরণের দাম বেড়েছে।

বিবিএসের জানুয়ারি-মার্চের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রামীণ পর্যায়ে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে গড় মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

গত অর্থবছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

শহর পর্যায়ে, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে গড় মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গেল বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

You Might Also Like