ট্রাম্পের আদেশের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের পদক্ষেপ

শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষিদ্ধ ও সাত দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ রাখা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।

যুক্তরাজ্যের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রুডকে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিয়েছেন থেরেসা মে।

এর আগে বরিস জনসন বলেছিলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ‘বিভক্তিকরণের শামিল ও ভুল’। তবে ট্রাম্পের আদেশ জারির পর এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া না জানানোয় প্রথম দিকে নিন্দার মুখে পড়েন থেরেসা মে। প্রথমে তিনি বলেছেন, এ ধরনের আদেশ জারি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। অবশ্য পরে তার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, থেরেসা মে এ ধরনের পদক্ষেপের সঙ্গে একমত নন এবং আমরা যে বিষয়ে কথা বলতে, এটি তেমন কিছু নয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা এ আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হলে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে তাদের সরকার।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ব্যাখ্যায় শনিবার ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, দ্বৈত নাগরিকরাও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। অনেক দ্বৈত নাগরিকত্বের অনেক ভ্রমণকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরগুলো থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে ১২০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে সিরিয়ার কোনো শরণার্থী পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত সিরিয়ায় ঢুকতে পারবেন না। এ ছাড়া মুসলিমপ্রধান সাতটি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। দেশগুলো হলো : সিরিয়া, ইরাক, ইরান, ইয়েমেন, লিবিয়া, সুদান ও সোমালিয়া।

You Might Also Like