টেলিছবি স্বর্ণমানব: ইউটিউবে ভিউয়ার ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

গোয়েন্দা কাহিনী নির্ভর টেলিছবি ‘স্বর্ণমানব’- এর ইউটিউব ভিউয়ার সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে (২৬ জানুয়ারি) চ্যানেল আই’ এ প্রচারিত হওয়ার পর তা ইউটিউবে প্রকাশিত হয়।

ইউটিউবে দেওয়ার পর রীতিমত হিট তালিকায় যায় স্বর্ণমানব। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত ইউটিউবে ১০ লাখের বেশি দর্শক টেলিছবিটি দেখেছেন।

টেলিছবিটির কাহিনী রচনা করেছেন ও সার্বিক নির্দেশনা দিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান। চিত্রনাট্য লিখেছেন শাহরিয়ার মাহমুদ। পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ।
এতে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, মেহজাবীন, অপর্ণা ঘোষ, আ খ ম হাসান, রওনক হাসান, আহসান হাবিব, সুজাত শিমুল, খালিদ মাহমুদ ও অন্য শিল্পীরা।

টেলিছবিতে দেখা যায়, ভিটেমাটি বিক্রির টাকা দালালের হাতে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমান গ্রামের সহজ-সরল এক যুবক। কিন্তু দূর পরবাসে ঘাম ঝরানো কাজের বদলে প্রতারণার শিকার হন তিনি। খপ্পরে পড়েছেন- এটা বুঝে শেষমেশ গ্রামে ফিরে আসেন। শঙ্কায় পড়ে যান ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করা নিয়েও। এরই মধ্যে বিয়েও ঠিক হয়ে যায়। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ কামানোর আশায় এবার তিনি চোরাচালান সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়েন। এয়ারপোর্ট টু এয়ারপোর্ট যাতায়াত করতে থাকেন। স্বর্ণের চালানপ্রতি হাজার টাকার নোটের তোড়া। লোভ বাসা বাঁধে তার মনে। আলাদীনের প্রদীপ যুবকটির চাই-ই চাই। পাক্কা চোরাচালানি হতে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন। কিন্তু বিধিবাম! কাস্টমস গোয়েন্দাজালে আটকা পড়েন তিনি। এই যুবকটি মোশারররফ করিম।

ড. মইনুল খানের লেখা গোয়েন্দাকাহিনি নির্ভর বই ‘স্বর্ণমানব’ গত বছর বইমেলায় প্রকাশ করে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অন্যপ্রকাশ।

বইটিতে সাম্প্রতিক স্বর্ণ আটকের চমকপ্রদ কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে প্রতিটি ঘটনা একেকটি গোয়েন্দা গল্প। বইটিতে মোট আটটি গল্প আছে। গল্পগুলো হলো- স্বর্ণমানব, কাইলা চোর, চোখে চোখ, ছদ্মবেশে, কোকেন উদ্ধারের নেপথ্যে, এত সোনা যায় কোথায় ? ও যা মিলেছে …, স্বর্ণ কতটুকু ধরা পড়ে।

ড. মইনুল খান এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা সামনে স্বর্ণ আটক দেখছি। পেছনের এসব গল্প ক’জন জানছি? টেলিছবিটিতে দর্শকের গোয়েন্দা কৌতুহল মিটবে। অন্যদিকে, স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ে অনেক প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যারা খেটে খাওয়া মানুষ, স্বর্ণ চোরাকারবারিরা তাদের ব্যবহার করে। সেসব বিষয় টেলিছবিতে তুলে আনার চেষ্টা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘দর্শকের কথা বিবেচনা করেই আমাদের কাজগুলো নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরেছি। এছাড়া গ্রামের অনেক মানুষ অনেক সময় চোরাকারবারীদের হাতে জিম্মি হন। নাটকটি সবাইকে সচেতন করবে বলে আশা করি।’

You Might Also Like