টেন্ডার নিয়ে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত ২০

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় স্কুলের টেন্ডার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে মেঘনা উপজেলা পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের খিদিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৪ লাখ টাকার টেন্ডার ড্রপ না করতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত  চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরকে লাঞ্ছিত করে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সেক্রেটারি শামীম আহমেদের লোকজন।

 

বিষয়টি বুধবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালামের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে মিমাংশা করে দেওয়া কথা ছিল। হুমায়ুন চেয়ারম্যানের লোকজন শালিসের জন্য উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করার সময় শামীম বাহিনীর লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে উপজেলা পরিষদ আঙিনা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। মেঘনা থানা পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, তার ইউনিয়নের স্কুলের কাজের শিডিউল ড্রপ করতে আসলে যুবলীগের নেতা শামীম বাহিনীর লোকজন তাকে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান বুধবার মিমাংসা করে দিবেন বলে উপজেলা পরিষদে গেলে প্রবেশ পথে শামীম বাহিনীর লোকজন গুলি করে। এ ছাড়া রড এবং হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে ৯/১০জন লোককে মারাত্মকভাবে আহত করে।

 

উপজেলা যুবলীগের প্রাক্তন সেক্রেটারি শামীম আহমেদ বলেন, ‘আমরা টেন্ডার ড্রপিংয়ের সময় হুমায়ুন চেয়ারম্যানের লোকজন বাধার সৃষ্টি করে। বুধবার তার বাহিনী হামলা চালালে আমার ১০ জন লোক আহত হয়।’

 

মেঘনা থানার ওসি একেএম মহসিন খান জানান, উপজেলা পরিষদের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৮৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

You Might Also Like