টাকা ছাপানোর মেশিন ক্রয়ে দুর্নীতি পায়নি দুদক

দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে টাকা ছাপানোর মেশিন ক্রয়ে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ফলে দুর্নীতির সব অভিযোগ থেকে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জিয়াউদ্দীন আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদক সচিব মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত নির্দেশনামায় এ সংক্রান্ত অভিযোগ নথিভুক্তির (অব্যাহতি) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে সংস্থাটি। দুদকের একটি সূত্র রাইজিংবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগের চলতি বছরের মে মাসে এ সংক্রান্ত অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী অধিক টাকা ছাপানোর প্রয়োজনীয়তায় নতুন করে চারটি মেশিন কেনার সিদ্ধান্ত নেয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১০ সালে ও ২০১৪ সালে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কেবিএ-নোটাসিস সুইসের কাছ থেকে ‘ইনটাগলিও প্রিন্টিং মেশিন’ নামে টাকা ছাপানোর দুটি মেশিন কেনা হয়।

২০১০ সালে ক্রয়কৃত মেশিনটির মূল্য দেখানো হয়েছিল প্রায় ১২৪ কোটি টাকা ও ২০১৪ সালে ক্রয়কৃত মেশিনটির মূল্য দেখানো হয়েছিল প্রায় ১৪২ কোটি টাকা। অথচ তৎকালীন এসব মেশিনের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য এর চেয়ে কম ছিল। যেমন- কেবিএ-নোটাসিস সুইস নামের ওই প্রতিষ্ঠনাটি একই সময়ে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশে এ মেশিন বিক্রি করেছে ৭০ কোটি থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ কোটি টাকায়।

দুদক সূত্রে আরো জানা যায়, সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্য দেখিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এভাবে তারা মেশিন ক্রয়ের নামে বিভিন্ন সময়ে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনসহ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বলে দুদকের কাছে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মোজাহার আলী সরদার অভিযোগটি অনুসন্ধান করেন।

You Might Also Like