জাতিসংঘের আশ্রয়ে রয়েছেন পাক-তুর্ক স্কুলের ১০৮ তুর্কি কর্মী

পাক-তুর্ক স্কুলের ১০৮ জন তুর্কি কর্মী এবং তাদের পরিবার জাতিসংঘের আশ্রয়ে রয়েছেন। ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানে কাজ করার জন্য তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকার করার পর থেকে তারা জাতিসংঘের আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যম আজ(শনিবার) এ খবর দিয়েছে।

আবেদন পত্রে বলা হয়েছিল, ইসলামাবাদ সরকার জোর করে তাদেরকে পাকিস্তান থেকে তুরস্কে ফেরত পাঠালে তারা বিপদে পড়বেন। তুরস্কের এরদোগান সরকার গ্রেফতার এবং অত্যাচার করতে পারে বলে আশংকা ব্যক্ত করেন তারা।

পাকিস্তানের পাক-তুর্ক স্কুলগুলো পরিচালনার সঙ্গে ফতেউল্লাহ গুলেন পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশন জড়িত রয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে তুরস্কের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে গুলেনের সম্পর্ক আছে বলে দাবি করছেন তুর্কি নেতারা। একে কেন্দ্র করে গুলেন পরিচালিত ধর্মীয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী অভিযান চালাচ্ছে আঙ্কারা সরকার।

এরই অংশ হিসেবে এরদোগানের পাকিস্তান সফরের আগে পাক-তুর্ক স্কুলের তুর্কি কর্মীদের গত বছরের ২০ নভেম্বরের মধ্যে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেয় পাক কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু প্রথমে সিন্ধুর হাই কোর্ট এ নির্দেশ স্থগিত করে রায় দেয়। পরে পাকিস্তানের আরো তিন প্রদেশের হাইকোর্টও একই রায় ঘোষণা করে।

ইউএনএইচসিআর’এর এক মুখপাত্র তাদের আশ্রয়ে পাক-তুর্ক স্কুলের ১০৮ জন তুর্কি কর্মী এবং তাদের পরিবারের থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত তারা জাতিসংঘের আশ্রয়ে থাকবেন । এ সময়ের মধ্যে তাদেরকে ভিন্ন কোনো দেশে থাকার ব্যবস্থা করার চেষ্টা জাতিসংঘ করছে বলেও জানানো হয়েছে।

You Might Also Like