হোম » ছোগট ছোট কথা

ছোগট ছোট কথা

admin- Saturday, August 12th, 2017

একাধারে গায়িকা ও মডেল উল্কা হোসেন। প্রকাশ পেয়েছে তাঁর নতুন গান ‘ছোট ছোট কথা’র ভিডিও। লিখেছেন: রবিউল ইসলাম

‘ছোট ছোট কথা, অগোছালো ভাষা/হৃদয় কোনো সঙ্গোপনে, স্বপ্ন খোঁজে আশা/ কি যে হলো জানি না, মনে মনে আনমনা, রংধনু ভালোবাসা’—উল্কা হোসেনের গাওয়া ‘ছোট ছোট কথা’ গানের মুখ এটি। কথা, সুর ও সংগীত শফিক তুহিন। প্রকাশ করেছে সংগীতা। গানটির জন্য বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন গায়িকা, ‘অনেক দিন পর গানটি করেছি। আমরা অনেক সময় প্রিয়জনকে কিছু বলতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বলতে পারি না। কখনো কখনো একটু বলে থেমে যাই। এমনই বিষয় নিয়ে গানটি। ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। ’

বর্তমানে আরো কয়েকটি গান নিয়ে ব্যস্ত এ গায়িকা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পিয়ারু খানের সুর-সংগীতে ‘বড় একা লাগে’ এবং বিনোদ রায়ের সুর-সংগীতে ‘নূপুর আমি পরি না তো আর’। গায়িকা জানান, ২০১৩ সালে নতুন কুঁড়ির বন্ধুরা মিলে ‘কতদিন’ শিরোনামে একটি অ্যালবাম করেছিলেন।

সে অ্যালবামেরই গান ‘বড় একা লাগে’। এবার রিমেক করছেন। কয়েকটি মিক্সডে কণ্ঠ দিলেও কোনো একক অ্যালবাম নেই তার। এবার সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একটি-দুটি করে গান করলেও এত দিন একক অ্যালবাম করা হয়নি। তবে স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নটা এবার সত্যি করতে চাই। ’
উল্কার শুরুটা ১৯৯০ সালে, পুরনো দিনের বাংলা গান দিয়ে। সে সময় একটি মিক্সড অ্যালবামে গেয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমিনের ‘কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না’ এবং সৈয়দ আব্দুল হাদীর ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’। ১৯৯৮ সালে কাজী ফারুক বাবুলের সুরে কণ্ঠ দেন ‘সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গানে। গানটি সে সময় খুব প্রশংসিত হয়।

নজরুলসংগীতের ওপর পাঁচ বছরের কোর্স করা উল্কার শুরুটা ১৯৭৬ সালে ‘নতুন কুঁড়ি’ দিয়ে। ১০ বছর পর বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হন। বিটিভিতে কয়েকটি একক অনুষ্ঠানও করেছেন। গেয়েছেন বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলেও। স্টেজও মাতিয়েছেন। গান করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে গিয়েও।

গানের বাইরে উল্কা একজন মডেল। ১৯৮৫ সালে ‘স্পারকল টুথপেস্ট’-এর একটি বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে এই মাধ্যমে অভিষেক। ১৯৮৭ সালে বিয়ে করেন। তারপর দীর্ঘ বিরতি। ২০০৫ থেকে আবারও নিয়মিত। ‘গ্রামীণফোন’, ‘বাংলালিংক’, ‘এবি ব্যাংক’, ‘মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক’, ‘অ্যাপোলো হাসপাতাল’, ‘রাঁধুনী গুঁড়ো মসলা’সহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। মডেলিং করতে কেমন লাগে? ‘খুব ভালো লাগে। তবে গান গাওয়ার তুলনায় কাজটা কঠিন। মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ডে একটি পণ্য সম্পর্কে দর্শকদের ধারণা দিতে হয়। ’ কোনটা বেশি পছন্দ করেন? গান না মডেলিং? ‘দুটিই করছি মন থেকে। আর তাই ভালো লাগাটাও সমান সমান’—বলছিলেন তিনি।

– কালের কণ্ঠ

সর্বশেষ সংবাদ