ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে আহত ১০

সিদ্ধিরগঞ্জে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঠিকাদারী কাজকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত ১০জন। এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সূত্রমতে, সিদ্ধিরগঞ্জের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে ৩৩৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়া প্লান্ট প্রজেক্টের ঠিকাদারী কাজ করে আসছিল সেভেন মার্ডারে নিহত নজরুল ইসলামের ভায়রা হুমায়ূন ও শ্যালক নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক। সম্প্রতি এ ঠিকাদারী কাজ পাওয়ার জন্য চেষ্টা শুরু করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমানের অনুগামী যুবলীগ নেতা হিমেল ও তার সহযোগীরা।

মঙ্গলবার ২টার দিকে হিমেলের নেতৃত্বে শরিফ, সায়েম সহ ২০-২২ জন যুবলীগ কর্মী ওই প্লান্টের সামনে গিয়ে ঠিকাদারী কাজের জন্য বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। ওই সময়ে হুমায়ূন ও শফিক গ্রুপের লোকজন বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।  এতে উভয় গ্রুপের মাহাবুব, শরীফ, সোহেল, রহমান আবদুল আজিজ, সাইফুল ও আব্দুর রব সহ অন্তত ১০জন আহত হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সংঘর্ষে জড়ানো লোকজন একটি পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, আমি এবং আমার ভগ্নিপতি হুমায়ূন প্লান্টে ঠিকাদারী কাজ পেয়েছি। আমরা ঠিকাদারী কাজ করার সময় হিমেল গ্রুপ আমাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। আমরা তাকে চাঁদা না দেয়ায় হিমেল এবং তার গ্রুপ আমার লোকজনের ওপর হামলা চালায়।

অপরদিকে হিমেল জানান, শফিক ও তার লোকজন আমাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তাকে চাঁদা না দেয়ায় সে আমার লোকের ওপর দেশি-বিদেশি অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন জানান, বিদ্যুৎ প্লান্ট এলাকায় কাউকে কোনো প্রকার বিক্ষোভ বা মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না। দুপুরে সেখানে কিছু লোকের জটলা দেখা দেয়ায় পুলিশ গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

You Might Also Like