ছাত্রদল সভাপতি ৮ দিনের রিমান্ডে

বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজীব আহসানকে রাজধানীর পল্টন মতিঝিল ও শাহবাগ থানার চারটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার এ মামলাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তারা আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫টি মামলায় ৫০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শামসুল আরেফিনের আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে ৬ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

একইসাথে ঢাকা মহনগর হাকিম তারেক মইনুল ইসলাম ভূইয়ার আদালতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শাহবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ মামলাগুলোয় আসামির রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিন প্রার্থনা করেন তার আইনজীবীরা। সব কটি মামলায় আসামিপক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. সানাউল্লাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক ফারুকী। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সালমা হাই টুনি এবং পুলিশের সহকারি কমিশনার মো. মিরাশ উদ্দিন।

জানা যায়, ১৯ জুলাই রোববার রাত ১১টার দিকে পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাট এলাকা থেকে রাজিব আহসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় রাজিব তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থেকে ঢাকা (মেট্রো ব ২২-৫৬৮৮) নম্বরের একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার গাড়ি তল্লাশি করে একটি লাগেজ থেকে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ মদসদৃশ আরো কিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে এবং তার সঙ্গে থাকা আরো চারজনকে আটক করে। এরপর তাকে পটুয়াখালীর জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হলে, আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী থানায় মাদক আইনে একটি মামলা হয়েছে।

আরও জানা যায়, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন থানায় রাজীবের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা রয়েছে। এ কারণে ২৭ জুলাই তাকে পটুয়াখালী থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

You Might Also Like