চাঁদাবাজি মামলায় ৩ যুবলীগ নেতা জেলে

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুবলীগের তিন নেতাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জানের আদলতে তাদের হাজির করলে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন তিনি।

এর আগে তাদের জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার তিন নেতা হলেন- জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক বর্তমানে জেলা যুবলীগের সদস্য রিফাত হাসান রুবেল, জেলা যুবলীগের সদস্য শাহীন মল্লিক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র আফজাল হোসেনের বড় ভাইয়ের ছেলে সাজ্জাদুল আলম মুন্না।

সূত্র জানায়,শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে দরপত্র ক্রয় করতে গিয়েছিলেন।

তবে যুবলীগ নেতা রিফাত হাসান রুবেল দাবি করেন, তারা সিডিউল কিনতে যাওয়ায় তাদের মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় জড়ানো হয়েছে।

সদর থানার সেকেন্ড কর্মকর্তা আব্দুল হালিম তালুকদার জানান, ঝালকাঠি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সেলিম সরকারের কাছে যুবলীগের তিন নেতা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে এমন অভিযোগ এনে ঝালকাঠি থানায় সোমবার রাতে একটি মামলা করেন প্রকৌশলী মো. সেলিম। পরে এদেরকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, ঝালকাঠির শেখেরহাট ও নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের কয়েকটি সড়ক ও বাজার উন্নয়নের প্রায় ৫ কোটি টাকার কাজের সিডিউল বিক্রির শেষ দিন ছিল সোমবার। বিকেল ৪ টার দিকে এ তিন ঠিকাদার সিডিউল ক্রয় করতে গেলে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারি ফেরদৌস সিডিউল দিতে অস্বিকার করেন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এ বিষয়টি জানতে চায় যুবলীগের নেতা। এতে নির্বাহী প্রকৌশলী সিডিউল বিক্রি করতে মন্ত্রীর নিষেধ আছে বললে তারা ক্ষেপে যায়। এক পর্যায় নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যুবলীগের তিন নেতার বাকবিতণ্ডা হয়।

জেলা হাজতে যাওয়া ৩ যুবলীগ নেতাই শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর এক সময়ের তীব্র বিরোধীতাকারী ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানার সমার্থক বলে জানা যায়।

You Might Also Like