‘চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন অবৈধ লেনদেন ৫০ লক্ষাধিক টাকার’

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে প্রতিদিন গড়ে ৫০ লাখ টাকার বেশি অবৈধ লেনদেন হয় বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি। আজ সোমবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউজের আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়ায় অটোমেশন : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে একথা জানায় টিআইবি।

অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন পেশ করেন টিআইবি’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর-ই খুদা। এ সময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বন্দর হতে পণ্য খালাসে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে কিছু প্রশাসনিক ধাপ পার হতে হয়। এই পণ্য ছাড় প্রক্রিয়ায় সাধারণত এলসিএল পণ্যের জন্য ১৬টি ও এফসিএল এবং অন-চেসিস ডেলিভারির েেত্র কমপক্ষে ১৯টি ধাপ পার হতে হয়।

কোনো ব্যবসায়ীর কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও এই ধাপগুলো পার হওয়ার জন্য বদি আলম বা ফালতুদের বিশাল অংকের ঘুষ দিতে হয়। এর মধ্যে প্রতিটি এফসিএল বা এলসিএল কনসাইনমেন্টের পণ্য ছাড়ের জন্য ন্যূনতম ৮০০ টাকা ও অন-চেসিসের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১২০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধ লেনদেন হয়। অটোমেশন পদ্ধতি হলেও চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউজের লেনেদেন এই বদি আলম বা ফালতুদের দখলে।

You Might Also Like