হোম » “গণতন্ত্র হত্যাদিবসে” নিউ ইয়র্কে প্রতিবাদ সভা

“গণতন্ত্র হত্যাদিবসে” নিউ ইয়র্কে প্রতিবাদ সভা

admin- Sunday, January 7th, 2018

গত ৫ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেষ্টুরেন্টে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক এর সভাপতিত্বে ত্রবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন এর পরিচালনায় “৫ই জানুয়ারির গণতন্ত্র হত্যা দিবস প্রতিবাদ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ত্রকটি প্রহশনের নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশের মানুষের বহু আন্দোলন সংগ্রামের ফসল ভোটাধিকার কেরে নিয়ে জোরকরে ক্ষমতায় বসে আছেন। উল্লেখ্য সেই ৫ই জানুয়ারি থেকে আজবদি একটি অবৈধ সরকার আমাদের শাসন করে চলেছেন।

গণতন্ত্র হত্যা দিবসে প্রতিবাদ মুখর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ বলেন কেন্দ্র ঘোষিত যেকোনো কর্মসূচি পালনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে স্বরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশে সর্বপ্রথম বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করে ছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বাংলাদেশের পূর্ণ গণতন্ত্র চালু করে দিয়েছিলেন।

আজ সে গণতন্ত্রের হত্যা হয়েছে আওয়ামী লীগের এক দলীয় শাসন কায়েমের মধ্যে দিয়ে।
আর সেই থেকে বাংলাদেশের গুম খুনের রাজত্ব চলছে সেইসাথে আইনের শাসন হারিয়ে গেছে। ফোরাম নেতৃবৃন্দ আরো বলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে আস্থাশীল থেকে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমরা ঐক্যেবদ্ধভাবে কাজকরে যাবো যতদিন না গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশের এক পর্যায়ে ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সে ৯০-এর জাতীয় বীর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন আলম ফোরামের প্রতিবাদ সমাবেশে তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র আজ প্রবাসে গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন উপলক্ষে আমার ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে দলের পক্ষ থেকে এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষথেকে আপনাদের সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি আরো বলেন, প্রবাসে আপনারা জাতীয়তাবাদী ফোরামের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা দিবসে প্রতিবাদ সমাবেশ করছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। নাজিম উদ্দিন আলম তার বক্তব্যে আরো উল্লেখ করে বলেন ৫ই জানুয়ারি একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে দেশে পুলিশী রাষ্ট্র কায়েম করেছে।

রাষ্ট্রের প্রধান তিনটি স্তম্ভ পার্লামেন্ট আজ অকার্যকর কারণ আজকে যারা পার্লামেন্টে আছেন তারা সবাই অনির্বাচিত। প্রশাসন আজ অন্ধ,প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে আজ আওয়ামীকরণ করা হয়েছে। বিচার ব্যবস্থা আজ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেনা। আপনারা জানেন কিভাবে একজন প্রধান বিচারপতিকে হেনস্থা করা হলো এবং সর্বশেষ বাধ্যতামূলক ভাবে ছুটিতে পাঠানো হলো।

খুন গুমসহ দেশে আজ একটি অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। জাতি আজ ত্র অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চাচ্ছে। তাই দেশের এই অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। অতীতে আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সফল হয়েছি।এবারও আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে দেশনেত্রীকে নিয়ে দুর্বার আন্দোলনে বিজয়ী হয়ে আমাদের দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যন তারেক রহমানকে বীরের বেশে দেশে ফিরিয়ে এনে দেশে গনতন্ত্র পূর্ণপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে আবারও উন্নয়নের কাংখিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে হবে।

এছাড়াও এই প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন সাবেক সাধারন সম্পাদক ছাইদুর খান ডিউক,সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, সাবেক উপদেষ্টা ফারুক হোসেন মজুমদার, ফোরাম নীতি নির্ধারক কমিটির সদস্য তানভীর হাসান খান প্রিন্স, প্রধান উপদেষ্টা ত্রটিত্রম হেলালুর রহমান হেলাল, সদ্যবিদায়ী সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুকুল, সিনিয়র সহসভাপতি শেখ হায়দার আলী, সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি মোতাহার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন
প্রচার সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নয়াকমিটিতে ফোরাম নেতা বদিউল আলম, জামালুর রহমান চৌধুরী, হারুন মিয়া, ইয়াছিন খান,তারিক চৌধুরী দিপু, মোঃ আলাউদ্দিন ও ইমরান হোসেন।

পরিশেষে সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সবাইকে নিয়ে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।