খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ দুই জনকে গুলি করে হত্যা

খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু (৪৫) ও তার দেহরক্ষী নওশেরকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ফুলতলার দামোদর ইউনিয়নের নতুন হাট এলাকায় নিজ বাড়ির নিচতলায় তাঁর কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নওশেরসহ দু্ইজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে নওশেরের মৃত্যু হয়।

মিঠুর বড় ভাই সেলিম সরদার জানান, রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে ডিবি পুলিশের পোশাক পরা পাঁচ-ছয়জন এসে গুলি করতে করতে মিঠুর অফিসে প্রবেশ করেন। তারা অফিসের ভেতর ঢুকে মিঠুর মাথায় গুলি করে। এই সময় ৩০ থেকে ৩৫ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। দুর্বৃত্তরা হত্যাকাণ্ডের পর আবার মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মিঠুর মৃত্যু হয়। মিঠুর দেহরক্ষীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নওশেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খুলনার পুলিশ সুপার (এসপি) নিজাম উদ্দীন মোল্লা বলেন, দু’টি মোটরসাইকেলে করে ডিবির মতো পোশাক পরে দুর্বৃত্তেরা ঘরে ঢুকে খুব কাছ থেকে সরদার আলাউদ্দিনকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, মিঠুর অনেক শত্রু আছে। প্রাথমিকভাবে ওই সূত্র ধরেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সরদার আলাউদ্দিনের বাবা আবুল কাশেম দামোদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান থাকাকালীন ১৯৯৭ সালের দিকে ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। বাবা মারা যাওয়ার পর বড় ভাই আবু সাঈদ বাদল ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁকেও সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে।

You Might Also Like