হোম » কেন ইসরাইল সফর করেছেন সৌদি প্রিন্স ?

কেন ইসরাইল সফর করেছেন সৌদি প্রিন্স ?

এখন সময় ডেস্ক- Wednesday, October 25th, 2017

গত সেপ্টেম্বরে গোপনে তেল আবিব সফর করেছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান। সম্প্রতি ইসরাইলের একজন কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেছেন। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ওই কর্মকর্তা তেল আবিবে বিন সালমানের সাথে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বৈঠকের কথা জানালেও আলোচনার বিস্তারিত কিছুই বলেননি।

হিব্রু ভাষায় প্রচারিত রেডিও অনুষ্ঠানে ইসরাইলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আগেই খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছিল। ওই খবরে বলা হয়েছিল, গত ৭ সেপ্টেম্বর সৌদি রাজ পরিবারের একজন সদস্য ইসরাইলের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। তাদের আলোচনায় আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর কয়েক দিন পর বিখ্যাত সৌদি ব্লগার ‘মুজতাহিদ’ লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইসরাইল বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক নোগা তরণপলস্কি নিশ্চিত করেছেন যে, মুহাম্মদ বিন সালমান ইসরাইল সফর করেছেন।’ তবে সৌদি সরকার এ খবর অস্বীকার করেছে।

বিন সালমানের ইসরাইল সফরের খবরটি হ্যাস ট্যাগ দিয়ে টুইটারে পোস্ট করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি আরব, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে প্রচার হয়ে যায়। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে করা পারমাণবিক চুক্তি অকার্যকর ঘোষণা দিয়ে তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সৌদি আরব ও ইসরাইল এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

সৌদি-ইরাক সম্পর্ক জোরদার করতে রিয়াদে আল-এবাদি

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি শনিবার রিয়াদ সফরে এসেছেন। প্রতিবেশী দুই আরব দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক সত্ত্বেও কৌশলগত বন্ধন আরো জোরদার করাই তার এ সফরের লক্ষ্য। এবাদি এমন এক সময়ে রিয়াদ সফরে এলেন যখন সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী খালেদ আল ফালেহ বাগদাদ সফর করছেন। সেখানে তিনি তেলের মূল্য বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। খবর এএফপি’র।

শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনও সৌদি আরব সফরে এসেছেন। কয়েক মাসের মধ্যে রিয়াদে এটি তার দ্বিতীয় সফর। রিয়াদ ও দোহার মধ্যে তিক্ত সম্পর্ক প্রশমিত করার চেষ্টা তার এ সফরের উদ্দেশ্য। সৌদি-ইরাকি যৌথ সমন্বয় পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে এবাদি রোববার এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এ পরিষদ গঠনের লক্ষ্য হলো সম্পর্ক জোরদার করা। বৈঠকে টিলারসনও অংশ নেবেন।

ইরাক রিয়াদের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো নিবিড় করতে চাচ্ছে। বিশেষ করে তেলের মূল্যের নিম্নœগতির কারণে দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। এ ছাড়া রিয়াদ ইরাকে ইরানের প্রভাব কমানোরও চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, সুন্নিশাসিত সৌদি আরব ও শিয়া অধ্যুষিত ইরাকের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক মাস ধরে দু’দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি শনিবার রিয়াদ সফরে এসেছেন। প্রতিবেশী দুই আরব দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক সত্ত্বেও কৌশলগত বন্ধন আরো জোরদারই তার এ সফরের লক্ষ্য।

আবাদি এমন এক সময়ে রিয়াদ সফরে এলেন যখন সৌদি জ্বালানী মন্ত্রী খালেদ আল ফালেহ বাগদাদ সফর করছেন। সেখানে তিনি তেলের মূল্য বাড়ানোর মধ্যদিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনও সৌদি আরব সফরে এসেছেন। গত কয়েক মাসের মধ্যে রিয়াদে এটি তার দ্বিতীয় সফর। রিয়াদ ও দোহার মধ্যে তিক্ত সম্পর্ক প্রশমিত করার চেষ্টা তার এ সফরের উদ্দেশ্য।

যৌথ সৌদি-ইরাকি সমন্বয় পরিষদ গঠনের লক্ষে আবাদি রোববার এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এ পরিষদ গঠনের লক্ষ্য সম্পর্ক জোরদার করা। বৈঠকে টিলারসনও অংশ নেবেন।

ইরাক রিয়াদের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো নিবিড় করতে চাচ্ছে। বিশেষ করে তেলের মূল্যের নিম্নগতির কারণে উভয়দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। এছাড়া রিয়াদ ইরাকে ইরানের প্রভাব কমানোরও চেষ্টা করছে।