কাফরুলে পুলিশের বন্দুক ভেঙ্গে কেন্দ্র দখল : ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র কেড়ে নিয়ে জালভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মাহমুদা বেগমের কর্মীরা। এসময় এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন তাকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের দুটি বন্দুকই ভেঙে ফেলেছে হামলাকারীরা। তাদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চোখে আঘাত পেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনজন পোলিং অফিসার, ১০-১২ জন ভোটার ও পুলিশের দুজন কনস্টেবলও আহত হয়েছেন। এর মধ্যে লিয়াকত নামের এক কনস্টেবলকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, হামলাকারীরা বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রটি দখল করে জাল ভোট দিতে থাকে। তারা ২০-৩০টি ব্যালট বাক্সও ভেঙে ফেলে। তাদের সঙ্গে পুলিশের আধা ঘণ্টা ধরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দুপুর ১২টার দিকে ভোটগ্রহণ বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন, পুলিশের মিরপুর জোন ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন এবং এক ঘণ্টারও বেশি সময় পরে আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

এ হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মাহমুদা বেগম একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মতিউর রহমান মোল্লা অনুসারীদের দায়ী করেন। অন্যদিকে মতিউর রহমান মোল্লার অনুসারীরা দায়ী করেন মাহমুদা বেগমকে। সংঘর্ষের সময়ে পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।

You Might Also Like