অভিনব ডিভাইস উদ্ভাবন করতে গিয়ে বিপদে পড়লেন বিজ্ঞানী

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অভিনব একটি ডিভাইস উদ্ভাবন করতে চেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী। কিন্তু নিজের উদ্ভাবিত সেই ডিভাইস দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তাকে হাসপাতাল ভর্তি হতে হয়েছে।

মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার কমাতে স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সকলকে নাক-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু নাক-মুখ স্পর্শ না করে থাকাটা সহজ ব্যাপার নয়।

মেলবোর্নের ২৭ বছর বয়সি জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন লকডাউনের এই সময়ে বাসায় বসে বসে বিরক্ত হচ্ছিলেন। তাই ভাবলেন করোনার বিস্তার প্রতিরোধে মানুষজন যেন নাক-মুখ স্পর্শ না করে সেজন্য এমন একটি ডিভাইস তৈরি করবেন, যা নাক-মুখের কাছে হাত নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করবে।

দ্য গার্ডিয়ানকে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কিছু ইলেকট্রিক ইক্যুইপমেন্ট ছিল কিন্তু সার্কিট বা ডিভাইস তৈরিতে কোনো অভিজ্ঞতা আসলেই আমার ছিল না।’

চৌম্বকীয় সেন্সরের বিশেষ ডিভাইস তৈরির করার চেষ্টা করেছিলেন ড্যানিয়েলের। এর অংশ হিসেবে নিজের নাকের ছিদ্র ও কানের মধ্যে চুম্বকের কণা রেখে পরীক্ষা করতে গিয়ে বাধান বিপত্তি। নাকের উভয় ছিদ্রতে রাখা চুম্বকের কণাগুলো পরস্পরকে আকষণ করে তার নাকের ভেতরে আটকে যায়। অনেক চেষ্টা করে নাকের ভেতর থেকে চুম্বক বের করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ছুটতে হয় তাকে।

ড্যানিয়েল বলেন, ‘চিকিৎসকরা যখন আমার নাক থেকে চুম্বক বের করছিলেন তখন আমি কিছুটা ব্যথা পেয়েছিলাম। বিব্রতকর এ দুর্ঘটনায় পড়ে আমার হাসিও পেয়েছিল। কিন্তু আমার চেয়ে বেশি হেসেছিলেন চিকিৎসকরা।’

You Might Also Like