ইতালির নাগরিক হত্যায় ডিবির তদন্ত কমিটি

ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে একজন ডিসি, চারজন এডিসি, কয়েকজন এসি এবং ইন্সপেক্টর সমন্বয় করে কাজ করবেন।

বুধবার ডিএমপির মিডিয়া শাখার উপ কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার (পূর্ব) মাহবুব আলমকে প্রধান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে চারজন এডিসির মধ্যে সানোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম, মাহফুজুল ইসলাম ও রাকিব হাসান দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া কমিটিতে গোয়েন্দা পুলিশের কয়েকজন এসি ও ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজে সহায়তা করবেন।

মুনতাসিরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে অবস্থিত সকল বিদেশী এনজিও অফিস, বিদেশী নাগরিক ও দূতাবাসগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তারাও যাতে নিরাপত্তার সঙ্গে দেশে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া কূটনৈতিক পাড়ায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

উপ কমিশনার আরো জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, আর আজকের যে কমিটি- এ দুটো আলাদা। দুটো কমিটিরই সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

এর আগে মঙ্গলবার ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যার রহস্য উদঘাটন ও বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এজন্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আইজি মো. মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় বলা হয়, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সার্বিকভাবে তদন্ত কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করবেন। আর এ কাজে সহায়তা করবেন অন্য আরেকটি সহায়তা কমিটি। সেই সহায়তা কমিটিতে রয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল হায়দার। তিনি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও তদন্ত কমিটিকে সহায়তা প্রদানের জন্য রেজাউল হায়দার বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের বাছাই করা দক্ষ ও চৌকস কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি সহায়তা টিম গঠন করতে পারবেন।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে ইতালির নাগরিক হত্যার মামলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে ন্থানান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (উত্তর) জিহাদ উদ্দিন। তিনি বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানের খুনের স্থান পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে গোয়েন্দা পুলিশের আরো কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি কারো সঙ্গে কথা বলেননি।

You Might Also Like