আরবের যেকোন দেশের সেনাবাহিনীর চেয়ে হেজবুল্লাহ শক্তিশালী

ইহুদিবাদি ইসরাইলের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, আরবের যে কোনো দেশের সেনাবাহিনীর চেয়ে লেবাননের শিয়া সশস্ত্র সংগঠন হেজবুল্লাহ বেশি শক্তিশালী। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর খুব কমে দেশেরই হেজবুল্লাহর মত যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে।

ইসলাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ  জেনারেল বেনি গাৎজ আরো বলেছেন, আরবের কোনো সামরিক বাহিনীরও হেজবুল্লাহর মত শক্তিশালী নয়।

নিকট ভবিষ্যতে আবার হেজবুল্লাহর সাথে ইসরাইলের যুদ্ধ নিশ্চিত বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বেনি গাৎজ।

তিনি বলেন, ‘ আমি শুধু চারটি থেকে পাচটি রাষ্ট্রের কথা বলতে পারি যাদের হেজবুল্লাহ থেকে বেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এগুলো হলো- রাশিয়া, চীন, ইসরাইল, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।’

ইসরাইলের বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন,  তাদের (হেজবুবল্লাহ) যে বিশাল শক্তি আছে যে ইসরাইল রাষ্ট্রের যে কোনো প্রান্তে আঘাত হানতে সক্ষম।’

বেনি গাৎজের বক্তব্যে স্পষ্ট যে ২০০৬ সালে  হেজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধের পর থেকে ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট এই বাহিনীর অস্ত্রশস্ত্র,  প্রযুক্তি এবং জনবল বহু বেড়ে গেছে।

গত সপ্তাহে অজ্ঞাতনামা একজন ইসরাইলি গোয়েন্দা কর্মকর্তা  ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর ম্যাগাজিনে লিখেছেন যে, পরবর্তী যুদ্ধে হেজবুল্লাহ শুধু ইসরাইলি আগ্রাসন থেকে নিজেদের রক্ষাই করবে না, ইসরাইলের বিরুদ্ধে স্থলহামলাসহ বহুমুখী আক্রমণ পরিচালনা করবে।

গত ৮ বছরের মধ্যে হেজবুল্লাহ সিরিয়ার কাছ থেকে জিপিএস নিয়ন্ত্রিত ১১০০ পাউন্ডের পরমাণু অস্ত্রসহ বহু অস্ত্র হস্তগত করেছে যা তেল আবিব পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম।  তাদের হাতে আছে ড্রোন।  ২০১২ সালে হেজবুল্লাহর একটি ড্রোন ভূপাতিত করে ইসরাইল।

এছাড়া হেজবুল্লাহ নজরদারি যোগাযোগ প্রযুক্তিতে অগ্রগতি সাধন করেছে। সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পক্ষে স্থল হামলায় অংশ নিয়ে তাদের স্থল হামলার অভিজ্ঞতাও বেড়েছে।

You Might Also Like