হোম » আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনে লাভলু সভাপতি, শহীদুল সাধারণ সম্পাদক

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনে লাভলু সভাপতি, শহীদুল সাধারণ সম্পাদক

admin- Wednesday, March 8th, 2017

নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি আমেরিকান সাংবাদিকদের সংগঠন আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনে লাভলু-শহীদুল প্যানেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার রাতে লাভলু-শহীদুল প্যানেলকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র জমা এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন জমাদানকারীদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও বাছাই করার পর প্রতিটি পদের জন্য একজন করে প্রার্থী পাওয়া যায়। প্রত্যাহার ও বাছাই করার পর এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবেভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

গত ৯ বছরে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি সাপ্তাহিক ঠিকানা ও বিবিসি বাংলার যুক্তরাষ্ট্রের কন্ট্রিবিউটর লাভলু আনসার, সহ-সভাপতি নিউইয়র্কভিত্তিক প্রথম বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা টিভির মহাপরিচালক মীর-ই ওয়াজিদ শিবলী, সাধারণ সম্পাদক সাপ্তাহিক বাঙালী ও দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম স¤পাদক বাংলা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি রিজু মোহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ সাপ্তাহিক ঠিকানার বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবুল কাশেম, কার্যকরী সদস্য আরটিভি যুক্তরাষ্ট্রের আবাসিক প্রতিনিধি আশরাফুল হাসান বুলবুল, সাপ্তাহিক ও এখনসময়ের ফটো এডিটর নিহার সিদ্দিকী, এটিএন বাংলা ইউএসএ’র বার্তা স¤পাদক কানু দত্ত এবং বাংলাভিশনের যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি মো. আজিম উদ্দিন অভি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ অনুষ্ঠিত আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় সাধারণ সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। তিন সদস্যের কমিশনে প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক কাজী শামসুল হক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আকবর হায়দার কিরণ ও রাশেদ আহমেদকে নির্বাচন কমিশনার করা হয়।

গত মেয়াদের কার্যকরী কমিটি যথাসময়ে নির্বাচন করতে না পারায় ২৮ ডিসেম্বরের জরুরি সাধারণ সভায় বর্তমান কার্যকরী কমিটির মেয়াদ ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দেন সাধারণ সদস্যরা। নির্বচনের তফশিল অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ ভোটগ্রহণ হবার যে ঘোষণা ছিল বিনা প্রতিদ্বন্দি¦তায় কমিটির সকল কর্মকর্তা নির্বাচিত ঘোষণার ফলে এখন আর ভোটগ্রহণ হবে না। তবে বর্তমান কার্যকরী কমিটির ক্ষমতা ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বর্তমান কমিটি নবনির্বাচিত কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।

সর্বশেষ সংবাদ