আপাত স্বস্তিতে আমেরিকা ব্রিটেন

কৌশিক চক্রবর্তী :

Scotlandজানিয়ে দিল ৫৫.৩ শতাংশ মানুষের রায়, ‘ইয়েস স্কটল্যান্ড নয়’৷ আপাত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে আমেরিকা ও ব্রিটেন৷ আসলে স্কটল্যান্ড পৃথক হয়ে গেলে তা ক্যামেরন আর ওবামা উভয়ের জন্যই দুশ্চিন্তার কারণ হত৷ কিন্ত্ত স্কটল্যান্ড ব্রিটেনে থেকে গিয়েও আহামরি কোনও লাভ হয়নি ক্যামেরনের৷ বরং নির্বাচন পরবর্তী পর্যায় তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যত্‍ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে৷

যে দেশটিকে আমরা কথায়-কথায়  ইংল্যান্ড বলে চিহ্নিত করি, সে দেশটির আসল নাম United Kingdom of Great Britain and Northern Ireland  যা ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলস এই পৃথক চারটি অঞ্চলের ভিন্ন্-ভিন্ন্ জাতিসত্তার মানুষদের নিয়ে গঠিত৷ গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড এর যুক্তরাজ্য’ নামটি অবশ্য ১৯২২ সালে ব্যবহৃত হয়৷ ইঙ্গ-আইরিশ চুক্তির মাধ্যমে রোমান ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত দক্ষিণ আয়ারল্যান্ড পৃথক হওয়ার পর থেকেই৷ অথচ আয়ারল্যান্ড ১৮ঙ্মঙ্ম সালে গ্রেট ব্রিটেনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর দেশটার নাম দেওয়া হয়েছিল ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড এর যুক্তরাষ্ট্র’৷ যা স্হায়ী হয়েছিল পরবর্তী ১২২ বছর৷ অর্থাত্‍ ১৯২২ সাল পর্যন্ত৷

দক্ষিণ আয়ারল্যান্ড যা পেরেছিল, ৯২ বছর বাদে স্কটল্যান্ড কিন্ত্ত তা পারল না৷ যদিও পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করার যথেষ্ট উপাদানই মজুত ছিল৷ ১৭ঙ্মজ্জ সালে অ্যাক্ট অফ ইউনিয়ন-এর মাধ্যমে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ড একত্রে গ্রেট ব্রিটেন গঠন করে৷ অথচ এই ইউনিয়নকে অধিকাংশ সাধারণ মানুষই গ্রহণ করতে পারেনি সে সময়ে৷ গ্রেট ব্রিটেন সৃষ্টি হওয়ার পর-পরই স্কটিশ জাতীয়তাবাদের উত্থান হয়৷ স্কটিশ কবি রবার্ট বার্নস লেখেন, ‘স্বর্ণের বিনিময়ে ইংল্যান্ডের কাছে বিক্রি করা হল আমাদের’৷ সেই শুরু৷ তারপর বাদ-প্রতিবাদ, স্কটল্যান্ডের খানিকটা ক্ষমতায়ন ও বেশিরভাগটা ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ৷ এইভাবে পথ হাঁটতে শুরু করল গ্রেট ব্রিটেন৷ ১৭ঙ্মজ্জ-এর চুক্তিতে স্কটল্যান্ডকে যা-যা সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল, সেগুলো ১৭৪৫ সালে স্কটল্যান্ডে সংঘটিত ‘জ্যাকোবা’ বিদ্রোহের পর ধীরে-ধীরে অস্বীকৃত হতে থাকে৷ দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের মতোই, এক্ষেত্রেও বিভিন্ন্ভাবে দমন-পীড়ন শুরু হয় ইংল্যান্ডের তরফে৷

ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে প্রবলভাবে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ হয় স্কটল্যান্ডে৷ সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনকে স্বীকার করার মতোই ইংল্যান্ডকে পৃথক স্কটল্যান্ডের অস্তিত্ব মানতে হয়েছে বহুবার৷ এক-ইউনিয়ন, এক-দেশ হওয়া সত্ত্বেও ১৮৭২ সালে প্রথম ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড পৃথক দল হিসাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে অংশ নেয়৷ এতদিনে এরকম ম্যাচের সংখ্যা ১১ঙ্ম ছাড়িয়েছে৷ ১৯৩৪ সালে ‘ন্যাশনাল পার্টি অফ স্কটল্যান্ড’ এবং স্কটিশ পার্টি’ একত্রে তৈরি করে ‘স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি’ (ব্দূহ্ম)৷ বহু দাবির মধ্যে ধীরে-ধীরে অর্জিত হয় নিজস্ব শিক্ষা ও আইনি ব্যবস্হা৷ বহু টানাপোড়েনের পর ১৯৯৯ সালে এডিনবার্গে গঠিত হয় নিজস্ব পার্লামেণ্ট৷ কিন্ত্ত সীমান্ত ও কর ব্যবস্হায় নিয়ন্ত্রণ রয়ে যায় ব্রিটিশ আইনসভার হাতেই৷ এই কর ব্যবস্হা নিয়ন্ত্রণের দাবি বহুদিন ধরেই রয়েছে স্কটল্যান্ডের তরফে৷ ২০ঙ্মজ্জ সালের মে মাসে স্কটল্যান্ডের আইনসভায় এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ব্দূহ্ম৷ এই জয়ে ৫০ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য হারায় ব্রিটেনের ‘লেবার পার্টি’৷ ওই বছরেরই আগস্টে ব্দূহ্ম স্বাধীন স্কটল্যান্ড গঠনের পক্ষে পরিকল্পনা নেয়৷ ২০১১-র নির্বাচনে স্কটিশ আইনসভা দখলের পর স্বাধীন স্কটল্যান্ডের জন্য ব্দূহ্ম পূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করে৷

ব্দূহ্ম নেতা অ্যালেক্স স্যালমন্ড এই ‘জবরদস্তিমূলক’ ৩০জ্জ বছরের পুরনো সম্পর্কের ইতি টানার প্রশ্নে মূল রূপকার ছিলেন৷ তাঁর বরাবরের অভিযোগ, ব্ভন্স-এর গৃহীত সিান্তে, সে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক যা-ই হোক না কেন, কোনওভাবেই স্কটল্যান্ডের পার্লামেণ্টের গৃহীত সিান্তের প্রতিফলন পড়ে না৷ তিনি -এর বিশেষ বন্ধুত্বের’ পক্ষপাতী নন৷ তাঁর বিশ্বাস ছিল–স্বাধীন হলে অনেক বিষয়েই ব্ভব্দ -এর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করার অধিকার তাঁর রাষ্ট্র ভোগ করতে পারবে৷ এই মুহূর্তে আমেরিকার ৫৮টি ‘ট্রাইডেণ্ট’, ‘টু ডি ফাইভ’ ক্ষেপণাস্ত্র স্কটল্যান্ডে মোতায়েন রয়েছে৷ আসলে এই অবস্হার নিরসনকল্পেই অ্যালেক্স স্যালমন্ডের মতো ‘ইয়েস স্কটল্যান্ড’-এর সমর্থকরা স্বাধীন, নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্কটল্যান্ডের দিকে ঝুঁকেছিল৷ সে-কারণেই নর্থ আটলাণ্টিকে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্হানে থাকা সত্ত্বেও মার্কিন নেতৃত্বাধীন ‘নর্থ আটলাণ্টিক ট্রিট্রি অর্গানাইজেশন’ -এর বাইরে থাকার পক্ষে ছিল ব্দূহ্ম৷ গুরুত্বপূর্ণ তেল উত্পাদক দেশ হওয়া সত্ত্বেও স্কটল্যান্ডের পার্লামেণ্ট ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিষ্মণ ৮০ শতাংশ হ্রাসের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করেছে৷ যা স্পষ্টতই পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে সব দায় তৃতীয় বিশ্বের উপর চাপিয়ে দেওয়ার পশ্চিমি মানসিকতার সঙ্গে খাপ খায় না৷ ব্দূহ্ম নেতৃত্ব এখনও মনে কবে,. দোসর সহ আমেরিকার ইরাক আক্রমণ ছিল আইনবিরু ও অনৈতিক৷ ২০১১-র জুন মাসে লন্ডনে ‘ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন’-এ এক সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে ব্দূহ্ম নেতা অ্যালেক্স স্যালমন্ড সামাজিক ন্যায় ও আর্থিকভাবে সমৃ সমাজের লক্ষ্যে স্বাধীন স্কটল্যান্ড প্রয়োজন বলে মত দিয়েছিলেন৷ এই সময়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে স্কটল্যান্ড পরমাণু অস্ত্রমুক্ত দেশ হবে৷ নৈতিকতার যুক্তিতেই পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত স্বাধীন স্কটল্যান্ডের পক্ষে ছিল ব্দূহ্ম৷

কিন্ত্ত ৫৫.3 শতাংশ মানুষ ব্ভন্স-র সঙ্গে থাকতে চেয়ে যে রায় দিল তাতে ‘ইয়েস স্কটল্যান্ড’ নয় বরং আপাত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে আমেরিকা ও ব্রিটেন৷ পশ্চিম স্কটল্যান্ডে ফাসলানা নৌঘাঁটি, উত্তর স্কটল্যান্ডে স্কাপা পোতাশ্রয় কৌশলগতভাবে প্রয়োজন৷ ঠান্ডা যুরে সময়কালে রুশ সাবমেরিনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে ‘সোনার মনিটরিং স্টেশন’ স্হাপিত হয়েছিল৷ ইতিমধ্যেই সিরিয়া ও ইউক্রেন ইস্যুতে রুশ-মার্কিন সম্পর্ক তলানিতে৷ তার উপর স্কটল্যান্ড পৃথক হয়ে গেলে তা ক্যামেরন ও ওবামা উভয়ের জন্যই দুশ্চিন্তার হত৷ অন্যদিকে, স্কটল্যান্ড এবং চিনের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল হওয়ায় পৃথক ও স্বাধীন স্কটল্যান্ড পশ্চিমি নীতি নির্ধারকদের দুঃস্বপ্ণের মতো তাড়া করে বেড়াত৷ আমেরিকা সবসময়ই তাই চেয়েছে স্কটল্যান্ড যাতে পৃথক হতে না-পারে৷ স্কটল্যান্ড আলাদা হলে ব্রিটেনের সামরিক সক্ষমতা ধাক্কা খেত এবং স্কটল্যান্ডে অবস্হিত মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রের ভবিষ্যত্‍ অনিশ্চিত হয়ে পড়ত৷ ব্রিটেনের ট্রাইডেণ্ট সাবমেরিন ঘাঁটিসমূহ স্কটল্যান্ড-কেন্দ্রিক৷ ইংল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড বা ওয়েলস-এ এই অস্ত্র ও যুযানের ঘাঁটিসমূহ স্হানান্তর করা সময়সাপেক্ষ হতো৷ উপরন্ত্ত এর জন্য প্রতিরক্ষা খাতে কয়েক হাজার গুণ বেশি অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হয়ে পড়ত৷ ২০১৫-১৬ সালের ‘ইউ কে স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ’-এর প্রেক্ষিতে এ-সবের চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গিয়েছিল নির্বাচনের আগেই৷ তাছাড়া ইউরোপের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষিতের কারনেও স্কটল্যান্ড স্বাধীন রাষ্ট্র না-হওয়ার সিান্তে বিশ্বের এইসব নীতি নির্ধারকরা  হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে৷ কারন এরা মনে করেছিল–স্কটল্যান্ড স্বাধীন রাষ্ট্র হলে বেলজিয়াম, ইতালি এবং ফ্রান্সে চলমান বিচিছন্ন্তাবাদী আন্দোলনসমূহ উত্সাহিত হবে৷ অন্যদিকে স্কটল্যান্ড স্বাধীন হলে আর্থিক ক্ষমতার প্রশ্নে প্রবল সমস্যায় পড়ত ব্রিটেন৷ ২০১২-র ফেব্রূয়ারিতে স্কটল্যান্ড সফরে গিয়ে ‘বেটার টুগেদার’ এর পক্ষে সওয়াল করাকালীন ক্যামেরন ৩০০ বছরের পুরনো অংশিদারিত্বের চাইতেও বারবার আর্থিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই ইউনিয়নের উপযোগিতার উপর জোর দেন৷ স্কটিশ মুদ্রাব্যবস্হার কারণেই কীভাবে সুদের হার নির্ণয়কালে স্কটিশ অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে– তার বিস্তৃত ব্যাখ্যাও দেন তিনি৷ ফলত স্কটল্যান্ডের গ্রেট ব্রিটেন ত্যাগ না করার সিান্ত আপাতদৃষ্টিতে স্বস্তির৷

অথচ, এই নির্বাচন পরবর্তী পর্যায় কিন্ত্ত ডেভিড ক্যামেরনের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্‍ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে৷ ২০১২ সালের ১৫ অক্টোবরে ব্ভন্স ও স্কটল্যান্ড প্রশাসনের মধ্যে সম্পাদিত স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নির্বাচন সম্পর্কিত চুক্তিপত্রে ব্যবহূত ভাষা৷ এবং ১৯৭০ সালে লেবার পার্টি যখন স্কটল্যান্ডে পৃথক পার্লামেণ্টের দাবিতে সম্মত হয়, সেই চুক্তিপত্রে ব্যবহূত ভাষা৷ এই দু’টো পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায়, ক্যামেরন কোথায় কৌশলগত ভুল করেছিলেন৷ এটা ঠিক, স্কটল্যান্ড স্বাধীন হয়ে বেরিয়ে গেলে ক্যামেরন প্রশাসনের চরম ক্ষতি হত৷ ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিষদের স্হায়ী সদস্যপদের বিষয়ে কঠিন পরিস্হিতির মুখোমুখি হতে হত ব্রিটেনকে৷ কিন্ত্ত স্কটল্যান্ড ব্রিটেনে থেকে গিয়েও আহামরি কোনও লাভ হয়নি ক্যামেরনের৷ কেননা, নির্বাচনের আগে স্কটল্যান্ডকে ধরে রাখার জন্য ঢালাও প্রতিশ্রূতি দিতে হয়েছে তাঁকে৷ বলতে হয়েছে, গ্রেট ব্রিটেন ত্যাগ না-করলে স্বাস্হ্য পরিষেবায় এবং কর সংগ্রহে স্কটিশ পার্লামেণ্টকে চূড়ান্ত সিান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হবে৷ এমনকী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফল ঘোষণার পর প্রদত্ত বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন একটা ‘নতুন ও ন্যায্য সমঝোতা’-র উপর জোরও দিয়েছেন৷ যদিও ইতিমধ্যেই সেখানে বাদ সেধেছেন রক্ষণশীল দলের সদস্যবৃন্দ৷ তাঁদের দাবি, স্কটিশ পার্লামেণ্টকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার পূর্বে ইংল্যান্ড তার স্বার্থরক্ষা করুক৷ এঁদের বক্তব্য অনুসারে ইউ কে পার্লামেণ্টে স্কটিশ এম পি সংখ্যা হ্রাস করা হোক৷ স্কটিশ এম পি-দের ক্ষমতা হ্রাসের দাবিতেও দলের অভ্যন্তরেই প্রবল সমস্যায় ক্যামেরন৷ অর্থাত্‍ স্কটল্যান্ড ব্রিটেনে থাকল, সঙ্গে রইল ক্যামেরনের বিড়ম্বনা৷

নির্বাচনের আগে স্বাধীন স্কটল্যান্ডের পক্ষে জনসমর্থনের প্রাবল্য কিন্ত্ত লগ্ণি পুঁজির বাজারকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছিল৷ সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখে পাউন্ডের মূল্য দ্রূত হ্রাস পেতে থাকে৷ স্কটল্যান্ডের ‘রয়্যাল ব্যাঙ্ক’, ‘স্ট্যান্ডার্ড লাইফ’, ‘এসএসই ইউটিলিটি কোম্পানি’ প্রত্যেকেরই দুই শতাংশের বেশি হারে পতন হয়৷ এই একইরকম অনিশ্চয়তার প্রকাশ ঘটেছে ৫৫.৩ শতাংশ মানুষের ভাবনাতেও৷ ব্রিটিশ পার্লামেণ্টে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে যে ‘স্কটল্যান্ড অ্যাক্ট’ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা কতটা নিশ্চয়তা দিতে পারে এখন সেটাই দেখার৷ একই সঙ্গে এও দেখতে হবে, বিরোধিতা সামলে অর্থাত্‍ বিদেশনীতি ও জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যতীত অন্যান্য বিষয় বিশেষত আর্থিক ক্ষেত্রে স্কটিশ পার্লামেণ্টকে কতটা ক্ষমতা দিতে পারে ক্যামেরন প্রশাসন৷ এই দ্বিবিধ বিষয়ই আগামিদিনে ইংলিশ-স্কটিশ সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করবে৷

You Might Also Like