‘আগামী জাতীয় নির্বাচন অংশ নিতে পারবেন না খালেদা জিয়া’

বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে গণতান্ত্রিক শক্তির নির্বাচন। সেই নির্বাচনে গণতন্ত্রের অচল মাল সচল করার সুযোগ নেই। তাই এ নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন না।

আজ (শনিবার) সকালে জাতীয় সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে অগণতন্ত্রিক শক্তিকে ছেটে ফেলতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে সুযোগ দিলে গণতন্ত্রের দুর্যোগ নেমে আসে। গণতন্ত্রে ছোবল মারে। যেমনটি মারছে জামায়াত, যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদীরা।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে। তাতে বাংলাদেশে পাকিস্তান মার্কা, সামরিক সরকার মার্কা, জামায়াত মার্কা রাজনীতি আর হবে না; দিন শেষ। দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার রাজনীতি আর হবে না। শেখ হাসিনা যে সমৃদ্ধির মহাসড়কের সম্মুখ যাত্রার মহাসড়কে টেনে তুলেছেন সেই মহাসড়কে খালেদা জিয়ার জায়গা নেই। শেখ হাসিনার বিকল্প ‘আগুন-সন্ত্রাসী’ কখনই না। গণতন্ত্র উন্নয়ন সমৃদ্ধির রাজনীতি থেকে খালেদা নিজেই নিজেকে খরচের খাতায় নিয়ে গেছেন।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আপনি না বুঝলেও দলের নেতা-কর্মীরা, জনগণ বুঝে গেছে। এটাও বুঝে গেছে আপনি যতই লম্ফঝম্প করেন না কেন আগুনে মানুষ পোড়ানো অপরাধে জনগণের আদালত থেকে রেহাই পাবেন না। আপনি যতই কৌশল বদলান না কেনো, যতই মোদির সঙ্গে করমর্দন করেন না কেন আপনার রাজনীতির ইতিহাস লেখা হয়ে গেছে। রাজনীতির বাইরে থাকতে হবে এবং আদালতের বারান্দায় যেতে হবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চুক্তিগুলোকে দেশ বিরোধী বলে সমালোচনা করে খালেদা জিয়া নিজেকে আবারো বোকা বলে প্রমাণ করেছে বলে মন্তব্য করেন হাসানুল হক ইনু।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ও দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস বলেন, বাজেট বাস্তবায়ন, অর্থনীতির অগ্রগতি, সুশাসন, স্থিতিশীলতা, শান্তি ও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পূর্ব শর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। কিন্তু এর প্রধান অন্তরায় গুলশান ২ নম্বরে অবস্থিত নাইট ক্লাবের মালিক বেগম খালেদা জিয়া। তিনি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব গণতন্ত্রের শত্রু, জনগণের শত্রু, মানবতার শত্রু, শান্তির শত্রু, উন্নয়নের শত্রু, প্রগতির শত্রু, সভ্যতার শত্রু,অগ্রগতির শত্রু।

তিনি বলেন, আগে ছিলো হাওয়া ভবন। এখন একজন চেয়ারপার্সনের কার্যালয়। এখানে নাইট ক্লাব খোলা হয়েছে। রাত ৯টার পর এই ক্লাব খোলা হয়। সেখানেই বসেই চলে সকল ষড়যন্ত্র। এই ক্লাবের মালিক বেগম খালেদা জিয়া।

You Might Also Like