‘আইন লঙ্ঘন করে রাশিয়ার কাছ থেকে টাকা খেয়েছেন ফ্লিন’

সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের পক্ষ থেকে বিদেশি রাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণকে কেন্দ্র করে হোয়াইট হাউজ ও কংগ্রেসের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।

এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটি বলেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তারা যেসব দলিল পেয়েছেন তাতে প্রমাণিত হয়, ফ্লিন বিনা অনুমতিতে রাশিয়া ও তুরস্কের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে আইন লঙ্ঘন করেছেন।

কমিটির চেয়ারম্যান জ্যাসন শ্যাফেটয ফ্লিনকে উদ্দেশ করে বলেছেন, “একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে আপনি রাশিয়া, তুরস্ক বা অন্য কারো কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করতে পারেন না। আপনি যদি অর্থ গ্রহণ করে থাকেন তবে তা ছিল ভুল এবং এখানে আইন লঙ্ঘনেরও গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “জেনারেল ফ্লিনের পক্ষ থেকে আইন মানা হয়েছে এমন কোনো তথ্য ব্যক্তিগতভাবে আমি দেখতে পাইনি।”

গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার সহযোগিতায় জয়ী হয়েছেন বলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির থেকে অভিযোগ করা হয়। ওই নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছে বলেও অভিযোগ করে প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দল। দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচার দলের সদস্যরা গোপনে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এরকম এক সাক্ষাতের কথা গোপন করার অভিযোগ মাথায় নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিয়োগ দেয়া প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন। এরপর তার বিরুদ্ধে রাশিয়ার কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগের ব্যাপারে কংগ্রেসের তদন্ত শুরু হয়।#

পার্সটুডে

You Might Also Like